Home সাক্ষাৎকার হিমালয়ার পণ্য বাংলাদেশেই উৎপাদন করা হবে

হিমালয়ার পণ্য বাংলাদেশেই উৎপাদন করা হবে

SHARE

জাসমিন্দার সিং, প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড ডিরেক্টর, হিমালয়া ড্রাগ কোম্পানি

৩৫ বছরের কর্মজীবনে ১২ বছরের অধিক সময় ধরে হিমালয়ার শীর্ষ পদে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন জাসমিন্দার সিং। হিমালয়া ভারতের ঐতিহ্যবাহী ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি। ৭০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠান জীবনরক্ষাকারী ওষুধের পাশাপাশি স্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্পর্কিত নানাবিধ পণ্য বাজারে জনপ্রিয় করতে সক্ষম হয়েছে। অতি সম্প্রতি ঢাকায় এক সফরে এসেছিলেন হিমালয়া ড্রাগ কোম্পানি লি. এর প্রেসিডেন্ট জাসমিন্দার সিং। তাঁর ব্যস্ততম সফরসূচির মধ্যেও আনন্দ আলোর সাথে এক সাক্ষাৎকারে মিলিত হন। সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছেন আনন্দ আলোর পক্ষে মোহাম্মদ আলী নূর
প্রশ্ন: বাংলাদেশে বিউটি কেয়ার পণ্যের বাজার কেমন বলে মনে করেন?
উত্তর: বাংলাদেশ যে কোন বিউটি কেয়ার প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাজার। এসব পণ্যের চাহিদা এবং সম্ভাবনা এখানে রয়েছে। মার্কেটটি এখনও তরুণ। যে কোন নতুন প্রতিষ্ঠানের পক্ষে আমদানিনির্ভর হয়ে দীর্ঘ সময় এখানে ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভবপর হবে না এবং তা সময়োপযোগীও নয়।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের বাজার নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?
উত্তর: বাংলাদেশের গ্রাহকরা ভারতের পণ্যসমূহকে একটি সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে যে, তারা ভারতে প্রস্তুতকৃত পণ্য পছন্দ করে, ব্যবহার করতে চায়, ভালোবাসে। আমার ধারণা বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্যের চেয়ে ভারতে উৎপাদিত পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা বেশি। তবে আমরা এই চিন্তাধারার পরিবর্তন করতে চাই। হিমালয়া ড্রাগস বাংলাদেশে অনুমোদিত কোম্পানি হিসেবে নয় বরং আলাদা ভেঞ্চার হিসেবে যাত্রা শুরু করছে, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ হিসেবে। এখানে নিজস্ব উৎপাদন কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে হিমালয়ার পণ্য উৎপাদন করবে। এই অবস্থায় ভোক্তাদের পণ্যের প্রতি সংবেদনশীলতা, ক্রস বর্ডার ইস্যুসহ নানাবিধ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। ইউনানি ও আয়ুর্বেদী পণ্য বাংলাদেশে আমদানি করা যায় না। কাজেই আপনি যদি এসব পণ্য নিয়ে এ দেশে ব্যবসা পরিচালনা করতে চান, তাহলে এখানে ইউনানি এবং আয়ুর্বেদী পণ্য উৎপাদন করতে হবে। চ্যালেঞ্জ সবসময় সবস্থানেই থাকবে, সেটা নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। তবে সবচেয়ে আনন্দের কথা হলো এদেশের গ্রাহকরা, ভোক্তারা ভারতীয় পণ্যসমূহ পছন্দ করে। তাদের পছন্দকে আমাদের সম্মান জানাতে হবে। বাংলাদেশে হিমালয়ার পণ্যসমূহের এই বাজারটি সম্পূর্ণ ক্যাশ অ্যান্ড ক্রেডিট মার্কেট, বিভিন্ন দেশে হিমালয়ার ব্যবসা পরিচালনার অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায়, অন্য দেশসমূহে যেখানে আমি দায়িত্বে ছিলাম সেখানকার বাজার সম্পূর্ণ ক্রেডিট মার্কেট, একজন ব্যবসায়ী তার বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত চায়, বাংলাদেশের মার্কেটে ব্যবসায়ীরা সম্পূর্ণ বিনিয়োগ সুরক্ষা পায় এবং তার বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত আসে।
হিমালয়া ৬ বছর আগে বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করে। আজকের অবস্থায় হিমালয়া তার নিজস্ব সক্ষমতার ধারা পুরো ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনা করছে যেখানে নিজস্ব উৎপাদন কারখানা, ডিস্ট্রিবিউশন, সেল্স, মার্কেটিং সবগুলো অপারেশন উপাদান নিয়েই ব্যবসায় পরিচালনা করছি। একইভাবে আমাদের কর্মীদের মধ্যে কিছু বিভাগীয় প্রধান ছাড়া বাকি সকল কর্মী কিন্তু বাংলাদেশের। আমরা ব্যবসায় উদ্যোগের পাশাপাশি কর্মসংস্থানও নিশ্চিত করছি। আমাদের উদ্দেশ্যও হচ্ছে হিমালয়ার সকল পর্যায়ে স্থানীয় দক্ষ কর্মীদের কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা বিধান করা।
প্রশ্ন: গত ৬ বছরে কি কি পরিবর্তন সাধিত হয়েছে?
উত্তর: গত ৬ বছর আগে বাংলাদেশের আর্থ-সমাজিক অবস্থা থেকে শুরু করে সকল ক্ষেত্রে তা আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। ৬ বছর আগেও বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডেড হোটেলের সংখ্যা খুবই সীমিত ছিল কিন্তু ৬ বছরের ব্যবধানে এখানে অনেকগুলো আন্তর্জাতিকমানের ব্র্যান্ডেড হোটেল ব্যবসায় পরিচালনা করছে এবং নতুন নতুন আরও হোটেল চেইন আসছে। তার অর্থ স্থিতিশীল অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আকৃষ্ট হচ্ছে, বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে এ দেশে বিনিয়োগের জন্য। হিমালয়ের ব্যবসায় গ্রোথ বিবেচনায় প্রথম দুই বছরকে আমরা গুরুত্ব দিতে চাই না। তবে পরের চার বছর বিবেচনায় নিয়ে আমরা বলতে চাই, বাংলাদেশে হিমালয়ার ব্যবসায় গ্রোথ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে এবং যা ক্রমবর্ধমান। আগামী দশকে হিমালয়া বাংলাদেশে তার ব্যবসায় এবং পণ্যের সম্প্রসারণের পাশাপাশি ব্যবসায় গ্রোথের ক্রমবর্ধমান হারে বাড়বে বলে আশা করি।
প্রশ্ন: হিমালয়ার পণ্যের গুণগত মান সম্পর্কে বলবেন?
উত্তর: বিশ্বব্যাপী হিমালয়ার পণ্যসমূহ একই। হিমালয়া ভারতের পণ্য এবং দুবাইয়ের পণ্যের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। হিমালয়া ভারতে যেসব পণ্য যে মানদন্ডে এবং উপাদানে উৎপাদিত হয়, হিমালয়ার দুবাইয়ের পণ্যসমূহও একই মানদন্ডে, ফর্মুলায় এবং উৎপাদিত হয়। বিশ্বব্যাপী ৯৫টি দেশে আমাদের ব্যবসা পরিচালনা করছি কিন্তু মাত্র তিনটি দেশে আমাদের নিজস্ব উৎপাদন প্রতিষ্ঠান রয়েছে যার মধ্যে দুবাই, ল্যাটিন আমেরিকা এবং ভারতÑ নতুন করে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ যা নিয়ে দাঁড়াবে ৪টি দেশ। উপরোক্ত দেশে থেকে অন্য দেশে উৎপাদিত পণ্য পাঠানো হয়। শুধুমাত্র ভারতের উৎপাদন প্রতিষ্ঠানে আমাদের নানাবিধ সুবিধা এবং বহুমুখি ব্যবস্থা আছে। হিমালয়া তার যাত্রা শুরু করেছে ফার্মাসিউটিক্যালস প্রতিষ্ঠান হিসেবে। আমরা গবেষণা এবং মান নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর এবং তা নিশ্চিতে সচেষ্ট। আমাদের কোনভাবেই অধিকার নেই বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত কোন পণ্যের ফর্মুলায় দেশভেদে কোন পরিবর্তন আনা। হিমালয়া ভারতের পণ্য এবং অন্যান্য দেশের পণ্যের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য হল পণ্যের প্যাকেজিংয়ের গায়ে ব্যবহারবিধি, কনটেন্ট, ইনগ্রেডিয়েন্ট ইত্যাদি লেখা। কিছু দেশসমূহে পণ্যের বডিপার্ট এসব লেখার বা প্রদর্শন করার প্রয়োজন হয় না। কিছু দেশে ডিটেইলস লেখার প্রয়োজন হয়, এই পার্থক্যটি ছাড়া পৃথিবীব্যাপী হিমালয়ের পণ্যের দেশভেদে কোন পার্থক্য নেই।
প্রশ্ন: বাংলাদেশে হিমালয়ার কোন ধরনের পণ্য রয়েছে?
উত্তর: বাংলাদেশে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে হিমালয়ার প্রায় পঞ্চাশের অধিক পণ্য সামগ্রী রয়েছে। ফেইস ক্লিনজার, হেয়ার কেয়ার, হারবাল কেয়ার, বিউটি কেয়ার, ওরাল কেয়ার, লিপ ক্যাটাগরি, পার্সোনল কেয়ার এবং বেবি কেয়ার ক্যাটাগরিতে নানাবিধ পণ্যসামগ্রী রয়েছে। বেবি কেয়ার আমাদের অন্যতম একটি ক্যাটাগরি যার মধ্যে আবার অনেকগুলো ক্যাটাগরি রয়েছে। এছাড়াও খুব শিগগিরই আমরা মমস কেয়ার নামে মায়েদের জন্য হিমালয়ার পণ্যসমূহ বাংলাদেশের বাজারে আনছি। হিমালয়ার এনিমেল হেল্থ কেয়ার ক্যাটাগরির প্রোডাক্টসসমূহও বাংলাদেশের বাজারে অতি শিগগিরই পাওয়া যাবে। হিমালয়ার পণ্যসমূহকে বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে নানাবিধ কার্যক্রম হিমালয়া বাংলাদেশ পরিচালনা করছে। ভারতে হিমালয়ার যেসব কার্যক্রম বা উদ্যোগসমূহ সফলতা পেয়েছে সেসব কর্মকাÐ বা উদ্যোগ বাংলাদেশেও পরিচালিত হবে। হিমালয়া বেবি কেয়ার এর জন্য আমরা ইতোমধ্যেই ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালসমূহে নার্স বা সেবিকাদের প্রশিক্ষণ দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। হাসপাতালে সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুর জন্য আমাদের পক্ষ থেকে উপহার থাকছে। ঢাকার জনবহুল স্থানসমূহে এবং পরিবহন টার্মিনালসমূহে বেবি কেয়ার সেন্টার বা কেয়ার সেন্টার প্লেসমেন্ট স্থাপনে সহযোগিতা করার আগ্রহ আছে। আমরা ক্রমান্বয়ে ধারবাহিকভাবে বাংলাদেশের ভোক্তাদের সাথে হিমালয়ার সম্পর্ককে আরও বুনিয়াদি ভিত্তি দিতে যা সকল ক্যাটাগরির পণ্যসমূহের ক্ষেত্রে অনুসৃত হবে।
একটা কথা বলে রাখা ভালো বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান ব্যবসায়িক আইন ও নিয়মানুসারে ব্যবসায় সম্প্রসারনে যা সম্ভব হিমালয়া তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাবে। হিমালয়া দীর্ঘসময়ের সাফল্যতে বিশ্বাস করে, স্বল্পমাত্রার সহজ লক্ষ্য অর্জনের চেয়ে দীর্ঘসময়ে সাফল্য অর্জন করা এবং তা ধরে রাখার উপর হিমালয়া গুরুত্বারোপ করছে। হিমালয়া বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনার চেয়ে এখানে কোম্পানি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বারোপ করছে যা হিমালয়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রার একটি অংশ। দীর্ঘসময় ধরে সাফল্য ধরে রাখতে এবং ব্যবসা পরিচালনা করতে হলে স্থানীয়ভাবে আপনাকে উৎপাদনে যেতে হবেই। দীর্ঘমেয়াদে আমদানিনির্ভর হয়ে ব্যবসা পরিচালনা এবং সাফল্য পাওয়া কষ্টকর এবং তা সুখকরও না। ৬ বছরে বাংলাদেশের ব্যবসা পরিচালনার অভিজ্ঞতা এবং ২ বছরের স্থানীয়ভাবে উৎপাদনকৃত পণ্যসমূহের বিস্তৃতি এবং গ্রহণযোগ্যতা আমাদের সাহস যোগাচ্ছে বাংলাদেশের হিমালয়ার পণ্যসমূহের উৎপাদনকে আরও বিস্তৃত করতে।
প্রশ্ন: হিমালয়ার যাত্রা শুরুর গল্পটা কেমন?
উত্তর: ১৯৩০ সালে ভারতের উত্তরাঞ্চলে ডেরাভ‚ম থেকে হিমালয়ার যাত্রা শুরু হয়। সেখানে এখনও হিমালয়ার সেটআপ আছে। তবে সেটা জাদুঘর হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। নোহা তিনি উপলব্ধি করলেন যে পশু-প্রাণির রোগ-জীবাণু প্রি-মেডিসিন দ্বারা আরোগ্য হয়, যা তাকে ভাবতে সাহায্য করে হারবাল এবং আয়ুর্বেদ রোগ-জীবাণু প্রতিরোধে অনেক অবদান রাখতে পারে। হিমালয়ার যাত্রা আসলে সেখান থেকে শুরু হয়। হারবাল পণ্যসমূহ প্রস্তুতের মধ্য দিয়ে হিমালয়া তার পথচলায় এগিয়ে যায়। হিমালয়া পরবর্তীতে ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানিতে পরিণত হয়। ফার্মাসিউটিক্যালসের শুরুতে অধিকতর গুরুত্ব দেওয়া হয় ডিটেইল প্রোডাক্টের ওপর। ডক্টর থেকে শুরু করে ফার্মেসিতে হিমালয়ার পণ্য গ্রহণে পরামর্শ দেওয়া হতো। ক্রমান্বয়ে পারসোনাল পণ্য, বেবি পণ্যসহ অন্য ক্যাটাগরির পণ্যসমূহ প্রোডাক্ট লাইনে পরিচিত করানো হয়। একই সাথে প্রাণিসম্পদের স্বাস্থ্যসম্পর্কিত পণ্যও হিমালয়ার পণ্যের তালিকায় রয়েছে। হিমালয়ার ব্যবসায় বৈচিত্র্য যেভাবেই দেখানো হোক না কেন, আমরা স্বাস্থ্য এবং সৌন্দর্য সচেতনতার ক্যাটাগরি নিয়ে কাজ করছি।
প্রশ্ন: হিমালয়ায় দীর্ঘ দিন ধরে উচ্চপদে দায়িত্ব পালন করছেন। আপনার অভিজ্ঞতার কথা জানতে চাই।
উত্তর: ৩৫ বছরের ক্যারিয়ারে আমি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ধরনের পণ্যসমূহ নিয়ে কাজ করেছি। প্রোডাক্ট বিনিময়ের আসলে কিছুই বাকি নেই আমার এই দীর্ঘ কর্মজীবনে। পণ্য বিনিময় ধারণার সকল ক্ষেত্রেই বিচরণের চেষ্টা করেছি। সেজন্য বিক্রয় বা বিনিময় আমার জন্য বড় কিছুই নয়। ভারতের অনেক নতুন নতুন ব্র্যান্ড এবং তাদের পণ্য নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার আছে। যে বিষয়টা সবসময় চিন্তায় রাখতে হবে যে, ভোক্তা আসলে কি চায় এবং আপনি তাকে কি দিতে চান একটি নির্দিষ্ট মূল্যমানের মধ্যে যা আপনাকে, আপনার পণ্য সম্পর্কে সবচেয়ে ভালো অভিজ্ঞতা দিবে। আমি আমার কর্মজীবনকে উপভোগ করেছি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে, বিভিন্ন ধাপে, বৈচিত্র্যময় পরিবেশে, ভিন্নতর অর্পিত দায়িত্ব আমি পালন করেছি এবং বলতে পারেন তা সফলতার সাথে। আমি ভারতে থাকাকালীন আমার অভিজ্ঞতাকে অনেকগুলো বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে দিতে পেরেছি। আমার সবেচেয়ে উপভোগ্য এবং বড় দায়িত্ব পালনই হচ্ছে একটি ভারতীয় কোম্পানিকে ভারতের বাইরে প্রতিষ্ঠা করা এবং আমি এই কাজটি প্রতিবারই আমার দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার আলোকে সফলতার সাথে করতে পেরেছি।
বাংলাদেশের ভোক্তাদের প্রতি আমাদের বিশেষ কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ হিমালয়ার এই ব্যবসায়িক ভ্রমণে আমাদের সহযোগিতা, তাদের ভালোবাসা, সমর্থন এবং আস্থা রাখার জন্য। আশা করি ভবিষতেও তাদের এই অব্যাহত সমর্থন হিমালয়াকে অনন্য উচ্চতায় যেতে সাহায্য করবে।