Home সাক্ষাৎকার সিঙ্গেল ফাদার চরিত্রটা যেন আমারই… তাহসান খান

সিঙ্গেল ফাদার চরিত্রটা যেন আমারই… তাহসান খান

SHARE
jodi-ekdin

জনপ্রিয় সংগীত তারকা ও অভিনেতা তাহসান খান। ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন গান দিয়ে। বø্যাক ব্যান্ডের ভোকাল হিসেবে যাত্রা শুরু করেই সফলতা অর্জন করেন তিনি। তার কণ্ঠে ব্যান্ডটির বেশ কিছু গান শ্রোতাপ্রিয়তা পায়। এরপর ব্যান্ড থেকে বের হয়ে একক ক্যারিয়ার শুরু করেন। সেখানেও তিনি সফল। পরবর্তিতে শ্রোতাপ্রিয় গান উপহার দিতে থাকেন একের পর এক। এর পাশাপাশি সে সময় থেকেই মডেলিং অভিনয়েও টুকটাক কাজ করেন। তবে গত কয়েক বছর ধরে গানের পাশাপাশি অভিনয় নিয়মিত চালিয়ে যাচ্ছেন তাহসান। শুধু তাই নয়, টিভি পর্দায় অভিনয়ের মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি। সেই জনপ্রিয়তার সিঁড়ি বেয়ে এখন পর্যন্ত অসংখ্য নাটক জমা পড়েছে তার ক্যারিয়ারের ঝুলিতে। উৎসব-পার্বনে তাহসানের নাটক মানেই দর্শকদের কাছে অন্যরকম কিছু। গান আিভনয়ের সঙ্গে মাঝে মধ্যে বিজ্ঞাপনের মডেল ও উপস্থাপক হিসেবেও পাওয়া যায় এ তারকাকে। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘যদি একদিন’। তাকে নিয়ে লিখেছেন মোহাম্মদ তারেক
আনন্দ আলো: আপনার অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘যদি একদিন’ মুক্তি পেল। শুরুতেই অনুভ‚তি জানতে চাই…
তাহসান খান: অন্যরকম এক অনুভ‚তি। ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। ভালোবাসার যে কোনো কাজ শুরুর অভিজ্ঞতা ভিন্ন থাকে। সিনেমার অভিজ্ঞতাটাও তেমন। দর্শকরা আমাকে ছোট পর্দায় দেখে অভ্যস্ত। বড় পর্দায় তাদের সামনে আসাটা চ্যালেঞ্জের ছিল। হলে গিয়ে দর্শকদের সঙ্গে সিনেমাটি দেখার পর তাদের উচ্ছ¡াস দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি।
আনন্দ আলো: বড় পর্দায় আপনাকে দেখার পর দর্শকদের সাড়া কেমন পাচ্ছেন?
তাহসান খান: এতোটা আশা করিনি যতোটা আমার প্রথম ছবি মুক্তির পর মানুষ আমাকে ফিডব্যাক দিচ্ছে। এটা বলে বোঝানোর মতো না। মুক্তির প্রথম শো থেকেই ছবিটি দেখতে প্রেক্ষাগৃহে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করেছি। এতে মনে হচ্ছে আমরা যে শতভাগ শ্রম দিয়ে কাজটি করতে পেরেছি এবং সেটা সফল ভাবেই করতে পেরেছি তার প্রমাণ। যতোটা রেসপন্স পাচ্ছি চারদিক থেকে এতোটা আমরা প্রত্যাশা করিনি। এতো প্রশংসা পাচ্ছি, বলার মতো না। ছবিটি যে শুধু শহরের মানুষই দেখছেন তা কিন্তু না। প্রথম দিন থেকেই আমরা নারায়নগঞ্জ, খুলনা থেকে ফোন পাচ্ছি দর্শক টিকেট পাচ্ছে না। সব গুলো হলে হাউজফুল শো চলছে। এটা বাংলা সিনেমার জন্য কতো ভালো একটা খবর বলে বোঝাতে পারব না। সম্মিলিত ভাবে সবাই চেষ্টা করলে বাংলা সিনেমা এগিয়ে যাবে। আমাদের সাথে মিডিয়া যেভাবে ছবিটির প্রচারণা করেছে তাতে সবার প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা। সবার প্রচেষ্টায় একটা সিনেমা যে আলোড়ন ফেলতে পারে তা আরেক বার প্রমাণ করলো ‘যদি একদিন’।
আনন্দ আলো: গতানুগতিক গল্পের ভেতর থেকে দেশের সিনেমা এখন কিছুটা বেরিয়েছে ‘যদি একদিন’ ছবির গল্প এ অন্যান্য প্রসঙ্গে আপনার অভিমত কী?
তাহসান খান: এটি একটি ফ্যামিলি ফিল্ম। ইমোশন, প্রেম, বন্ধুত্ব, রাগ, ঘৃণা সব আছে এখানে। আমি বলতে পারি পরিবার নিয়ে এমন সিনেমা বিগত কয়েক বছরে হয়নি। হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো গল্প। সিনেমাটির গল্প থেকে শুরু করে পুরো সিনেমাটি দেখে দর্শকরা এমন কিছু হয়তো পাবে না যা এক ঘেঁেয়ে লাগবে। তবুও একটি কাজ সবারই ভালো লাগবেনা এটা সত্যি। কিন্তু যে সাড়া পেয়েছি তাতে বেশির ভাগ দর্শকদের যে সিনেমাটি ভালো লেগছে সেই বিশ্বাস আমি করি। পুরো টিমের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। কারণ এটা একটা দলীয় কাজ। সবার সমান সাপোর্ট না থাকলে একটি সুন্দর কাজ করা সম্ভব হয় না।
আনন্দ আলো: রোমান্টিক নায়ক হিসেবেই দর্শক আপনাকে ছোট পর্দায় দেখে আসছেন। প্রথম চলচ্চিত্রে কী সেই লুকে হাজির হয়েছেন?
তাহসান খান: ‘যদি একদিন’ সিনেমায় আমি সিঙ্গেল ফাদার চরিত্রে অভিনয় করেছি। যা আগে কখনো করিনি। ছবির ‘ল²ীসোনা’ গানের দৃশ্যে শিশু শিল্পী হিসেবে রাইসার সঙ্গে এতটাই মিশে গিয়েছিলাম যে অনেক বাবা আমাকে জানাচ্ছেনÑ বাসায় গিয়ে তাদের ওই গান ছেড়ে দিয়ে নাচতে হয়। আর এই চলচ্চিত্রের গল্পটাই আসল। একজন অভিনেতা হিসেবে গল্পটাই আমাকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে হয়েছে।
আনন্দ আলো: সহ শিল্পী শ্রাবন্তীর সাথে আপনার কাজের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
তাহসান খান: ‘যদি একদিন’ ছবির কাজের মধ্য দিয়েই তার সাথে আমার পরিচয়। বেশ ভালো একজন সহ অভিনেত্রী। কাজের জায়গাগুলোতে বোঝা পড়াটা ভালো ছিল। তার ব্যবহার, কথাবার্তা সবই আমাকে মুগ্ধ করেছে। কাজের ফাঁকে চমৎকার আড্ডা হয়েছে। গল্প করেছি। সব মিলিয়ে দারুন অভিজ্ঞতা।
আনন্দ আলো: শ্রাবন্তীর সাথে আপনার কোনো মজার ঘটনা?
তাহসান খান: শ্রাবন্তী শুটিংয়ে যেখানেই যান না কেন, সঙ্গে মরিচ নিয়ে যান। ঝাল ছাড়া নাকি তিনি খেতেই পারেন না। সেটা কক্সবাজার হোক কিংবা লন্ডন সব খানেই তার সঙ্গে থাকে মরিচ। আমরা যখন এক সঙ্গে খেতাম দেখতাম ১৫-২০টি মরিচ নিয়ে খেতে বসছেন। আমি খুবই অবাক। আর এই মরিচ নিয়ে প্রতিযোগিতা হতো তাসকিনের সঙ্গে। আমিও মরিচ ভালোবাসি।
আনন্দ আলো: আপনার মেয়ের চরিত্রের অভিনয় করেছে শিশু শিল্পী রাইসা। বাবা-মেয়ের গল্পটা বলবেন কী?

তাহসান খান: আমার মেয়ের ভ‚মিকায় অভিনয় করেছে রাইসা। অসাধারন অভিনয় করেছে সে। আমার নিজের মেয়ের মতোই ওকে ভালোবাসি। ওর সঙ্গে আমার রসায়ন অলরেডি দর্শক দেখেছে। ‘ল²ীসোনা আদর করে দিচ্ছি তোকে’ গানে। আমার ধারণা ছবি দেখার সময় দর্শক সারাক্ষণ ওকেই খুঁজবে। ওর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল। সামনে বাংলাদেশের বড় তারকা হবে ও।
আনন্দ আলো: গায়ক থেকে নায়ক হলেন কী ভাবে?
তাহসান খান: ‘যদি একদিন’ ছবির পাÐুলিপি চ‚ড়ান্ত হওয়ার দেড় বছর আগে প্রস্তাব নিয়ে আমার কাছে আসেন পরিচালক রাজ। প্রথমে গল্পটা পছন্দ হয় নাই আমার। রাজকে জানিয়ে দিলাম অসাধারণ কিছু নিয়ে এলে অবশ্যই ছবিতে অভিনয় করব। রাজও হাল ছাড়ার পাত্র নন। এক বছরে ছয়-সাতটি গল্প শোনায় আমাকে। কোনোটি ভালো লাগল না আমার কাছে। কয়েক বছরে অনেক পরিচালকই আমাকে গল্প শুনিয়েছেন। যখন বলেছি আমার ভালো লাগেনি, তখন তারা আমার ওপর খুব রাগ করেছেন। অনেকের সাথেই সম্পর্ক খারাপ হয়ে গেছে। পেছনে আমাকে নিয়ে গাল মন্দ করেছেন কেউ কেউ। কিন্তু মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ ব্যতিক্রম। যতবার বলেছি গল্প পছন্দ হয়নি, হাসি মুখে মেনে নিয়েছেন। বিষয়টিকে বরং চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে রাজ। বলেছেন যতক্ষণ পর্যন্ত না আমার পছন্দ হবে, নতুন নতুন গল্প শোনাতেই থাকবো। এভাবেই একদিন সিঙ্গল ফাদারের একটা গল্প শোনাল। ইন্টারভ্যাল পর্যন্ত শুনিয়ে বলল এতটুকুই দাঁড় করিয়েছি। এরপর কী হবে জানিনা। এতটুকু কেমন হয়েছে? আমি বললাম খুবই ভালো লেগেছে। পরের পার্টটা এমন হলে কেমন হয়। দুজন মিলেই ইন্টারভ্যালের পরের পার্টটা এগিয়ে নিলাম।
আনন্দ আলো: কেন ‘যদি একদিন’ দেখবে দর্শক?
তাহসান খান: তিনটি কারণে এ ছবি দেখা উচিত। প্রথম. দেশ প্রেমের জায়গা থেকে ‘যদি একদিন’ দেখা উচিত। আমরা সবাই বাংলাদেশেকে ভালোবাসি। দেশের সব শিল্পকে আমাদের পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে। তার মধ্যে একটি হচ্ছে সিনেমা শিল্প। একটা কথা শোনা যায় ভালো সিনেমা হচ্ছে না বলে দর্শক সিনেমা হলে যেতে চাচ্ছেনা। কিন্তু পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেখার মতো সিনেমা ‘যদি একদিন’। দর্শকদের জন্য বানানো হয়েছে এ ছবিটি। তাই দেশ প্রেমের জায়গা থেকে সিনেমা শিল্পকে ভালোর দিকে নিয়ে যাওযার জন্য এ ছবি দেখতে হলে যাওযা উচিত। দ্বিতীয়. যারা আমাকে ভালোবাসেন তারা ‘যদি একদিন’ দেখতে যাবেন। কারণ ১৬-১৭ বছর আপনাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। প্রায় ৩০০ গান করেছি, ৬০-৭০টির মতো নাটকে অভিনয় করেছি। আপনাদের কাছ থেকে ধারনা এসেছে সিংহ ভাগ কাজ আপনাদের ভালো লেগেছে। আপনাদের আমার ওপর আস্থা আছে যে আমি ভালো কিছু করি। ঘন ঘন কিংবা বেশি কাজ করিনা। এই সিনেমা হয়েছে আমার মতো। আমার মনের মতো। ছবির গল্পাটা বলতে গিয়ে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। যারা আমাকে ভালোবাসেন ২ঘণ্টা ১৮ মিনিট আমাকে দেবেন। তৃতীয়. যারা আমাকে ভালোবাসেন না তারাও ‘যদি একদিন’ দেখবেন। অনেক মানুষ আছেন যাদের কাছে আমি আমার গান, নাটক কিংবা কাজ দিয়ে পৌঁছাতে পারিনি এখানে তাদেরকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
আনন্দ আলো: সিঙ্গেল ফাদার হিসেবে প্রথম বড় পর্দায় আসা…
তাহসান খান: আমি কিন্তু জাত অভিনেতা না। চঞ্চল চৌধুরী তিনি একজন জাত অভিনেতা। একেবারে শেখা অভিনেতা। আমাকে জিজ্ঞেস করেন আপনি গান করেন কেন? আমি বলব জন্মের পর থেকেই গান শিখছি। আমি গান শিখেই বড় হয়েছি। অভিনয়টা শিখছি গত ছয়-সাত বছর ধরে অভিনয় করতে করতে। অনেকেই আমাকে বড় পর্দায় দেখতে চায়। কাউকে বঞ্চিত করার অধিকার আমার নেই। আমাকে এমন একটা চরিত্র বেছে নিতে হবে যেটা আমি করতে পারব। সিঙ্গেল ফাদার চরিত্রে আমি সবচেয়ে ভালো করতে পারব। আমি ৬০-৭০টি নাটক কিেছ। কর্পোরেট মানুষ হিসেবে দেখেছে। কিন্তু মানুষ আমাকে দেখেনি সিঙ্গেল ফাদার হিসেবে। সিঙ্গেল ফাদার হিসেবে কাজ করাটা আমার কাছে খুবই ন্যাচারালি ছিল। আমাকে খুব বেশি যে শিখতে হয়েছে তা কিন্তু না। কিভাবে একজন বাবা তার মেয়ের সাথে খুনসুটি করে, কিভাবে আহ্লাদ গুলো করে সেটাও আমাকে করতে হয়েছে। মনে হয়েছে এই চরিত্রটা আমার জন্যই। একজন করপোরেট মানুষ একজন সিঙ্গেল বাবা। বাবা হিসেবে যে ভাবে অ্যাকটিং করার কথা আমি সেভাবেই অভিনয় করেছি।
আনন্দ আলো: ছবির প্রচারনায় আপনি বিভিন্ন রাস্তায় মাইকিং করেছেন। দেয়ালে পোস্টার লাগিয়েছেন। সিনেমা প্রচারের এমন ভাবনা আসল কেন?
তাহসান খান: আমরা আলোচনা করেছিলাম ছবির মুক্তির আগে সাধারন মানুষের আগ্রহ কিভাবে বাড়ানো যায়। এমন সময় আমাদের দলের ফটোগ্রাফার রিয়াজ বলল, আমার মাথায় একটা আইডিয়া আছে। সিনেমার সঙ্গে তো আসলে মাইকিং অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। এখন তো আর এটি হয় না। যদি ঘটা করে এই কাজটা করা যায় তাহলে কিন্তু দারুণ হয়। তখন আমি বললাম, কাজটি তো আমি নিজেই করতে পারি। মনে হলো, এটা পুরোনো ঐতিহ্য, মানুষকে আকৃষ্ট করবে। সেজন্য মাইকিং করেছি। আমার অভিনীত প্রথম ছবির পোস্টারটিও নিজ হাতেই দেয়ালে লাগিয়েছি। আমাকে এভাবে রাস্তায় দেখে মানুষ খুব অবাক হয়েছে এভাবে যে আমি কেন এমন কাজ করছি। আমার অন্য কোনো কাজের প্রচার তো কেউ এভাবে দেখে নাই। তবে তারা সবাই বিষয়টাকে ইতিবাচক ভাবেই দেখেছে। তাদের ধারনা আমার কাজের ওপর বিশ্বাস আছে বলেই হয়তো করেছি। ভক্ত ও সাধারণ মানুষের আস্থাটাও পাচ্ছি অনেক বেশি।
আনন্দ আলো: গল্প-অভিনয় শিল্পী না পরিচালক। একটি চলচ্চিত্রের কোন বিষয়টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন?
তাহসান খান: আমার কাছে মনে হয়, এই তিনটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ। চলচ্চিত্র আসলে একজনের না, নায়ক-নায়িকা, গায়ক-গায়িকা কিংবা পরিচালক-প্রযোজকের না এটা সবার সম্মিলিত প্রয়াস।
আনন্দ আলো: আপনার নতুন গানের কী খবর?
তাহসান খান: ভালোবাসা দিবসে আমার একটি গান প্রকাশ হয়েছিল। শিরোনাম ‘মায়াবি আলোতে’। গানটির সুর ও সংগীত করেছেন অদিত। কথা লিখেছেন রাকিব হাসান রাহুল। অত্যন্ত সুন্দর একটি কথা সুরের গান এটি। চলচ্চিত্রের কাজের জন্য গানটি নিয়ে তেমন প্রচার করতে পরিনি। ব্যস্ততা শেষ হলে এই গানটি নিয়েই আবার প্রচারে নামব।
আনন্দ আলো: বর্তমানে অডিও ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা কেমন মনে হচ্ছে?
তাহসান খান: ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা আগের চেয়ে এখন ভালো। কারণ ডিজিটালি গান প্রকাশ হচ্ছে। আমরা এ ধারায় ক্রমশ অভ্যস্ত হচ্ছি। কোম্পানির পাশাপাশি যে কেউ ইচ্ছে করলেই স্বত্ব নিজের কাছে রেখে গান প্রকাশ করতে পারছে। এটা ইতিবাচক দিক। সময়ের সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা আরো ভালোর দিকে যাবে।
আনন্দ আলো: আপনার ইচ্ছা কী ছিল-পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করা, নাকি গান-অভিনয়কেই পেশা হিসেবে নেওয়া?
তাহসান খান: মা-বাবার প্রত্যাশা আর নিজের স্বপ্ন দুটোকেই গুরুত্ব দিয়েছি আমি।
আনন্দ আলো: আপনার কাছে সবচেয়ে প্রিয় মানুষ কে?
তাহসান খান: প্রিয় মানুষের তালিকা অনেক লম্বা। প্রথম নামটা আমার মেয়ে আয়রার।
আনন্দ আলো: আপনার প্রিয় রং কী?
তাহসান খান: দুই চোখ দিয়ে প্রতিটি রং দেখতে পাই। এব্যাপারটা তো আমার খুব প্রিয়। একেকটা রঙের সৌন্দর্য উপভোগ করি একেক ভাবে।