SHARE

শুরুর দিনেই জমে উঠেছে একুশে বইমেলা। গতকাল বিকেলে মেলার উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেলা প্রাঙ্গণ ত্যাগ করার পর পরই মেলার সকল প্রবেশ পথ ক্রেতা-দর্শকের জন্য উম্মুক্ত করে দেয়া হয়। সাথে সাথে স্রোতের গতিতে ক্রেতা দর্শক মেলার বাংলা একাডেমী ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যাণ অংশে ঢুকতে শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যে মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যাণ অংশ লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে। তবে বই কেনার প্রতি অনেকেরই তেমন আগ্রহ ছিল না। অধিকাংশরাই মেলার পরিবেশ দেখতে এসেছিল। মেলা প্রাঙ্গণে সেলফি তোলার হিড়িক পড়ে যায়। অনেকে মোবাইলে মেলার দৃশ্য লাইভ দেখানো শুরু করে।
আরমানিটোলার সেরাজুল এসেছিল প্রথম দিনের বইমেলায়। সাথে ছিল তার তিনজন বন্ধু। প্রসঙ্গ তুলতেই জানায়, মেলা দেখতে আইছি। এবার বইমেলা অনেক সুন্দর হইছে! আবার বন্ধুরা মিল্ল্যা মেলায় আসুম। সবতে মিল্ল্যা বই কিনুম। ধানমন্ডি থেকে এসেছিল আমজাদ হোসেন। একজন ব্যবসায়ী। গুলিস্তান থেকে সিএনজি অটো রিকসা যোগে ধানমন্ডির দিকে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ দোয়েলদ্বীপ চত্বরে অটোরিকসা থেকে নেমে বইমেলা দেখার জন্য বাংলা একাডেমির দিকে এগিয়ে আসেন। প্রসঙ্গক্রমে বললেন, এবার বইমেলা অনেক বড় মনে হচ্ছে। আশাকরি বইমেলা অন্যান্যবারের চেয়ে বেশি জমবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আহাদুজ্জামান এবারের মেলার পরিবেশ নিয়ে বেশ খুশি। প্রসঙ্গ তুলতেই জানাল, প্রতিদিনই বইমেলার আসব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
উল্লেখ্য, একুশে বইমেলা প্রতিদিন বিকেল ৩টায় শুরু হবে। শেষ হবে রাত সাড়ে ৮টায়। বইমেলায় শতকরা ২৫ ভাগ কমিশনে বই বিক্রি হয়।