SHARE
ভালোবাসার সুখ দুঃখ

বিশেষ প্রতিনিধি
দিনক্ষণ নির্ধারণ করে কি ভালোবাসা হয়? ভালোবাসা তো মনের ব্যাপার। আর তাই কখন কার সাথে ভালোবাসা হয়ে যায় তা বলা মুশকিল। ট্রেনের কামরায় মুখোমুখি বসে থাকা সেই ছেলেটিকে মনে ধরে যায় পারুমিতার। সেই থেকে শুধুই মন আনচান করেÑ ইস আরেকবার যদি তার সাথে দেখা হয়ে যেত। সাহস করে ফেসবুক ওয়ালে লিখে দেয় ‘ট্রেনে দেখা সেই ছেলেটির কথা খুউব মনে পড়ছে’। ব্যস, ফেসবুকেই উত্তর আসে। ভালোবাসার গল্প শুরু হয়ে যায় দু’জনের মাঝে। আহ! ভালোবাসা! বাহ, ভালোবাসা!! পাশের বাড়ির ছাদে দেখা যেত মেয়েটিকে। কিযে মিষ্টি মেয়ে। হাবলু ভাবে ওই মেয়েটি তাকে ভালোবাসলে পৃথিবী জয় করতে পারবে সে। সেই থেকে কারণে অকারণে ছাদে আসে দু’জন। ইশারায় কথা হয়। হঠাৎ একদিন মেয়েটি আর ছাদে আসে না। হাবলু দেবদাস হয়ে যায়। দেবদাসের মোবাইল ফোনে হঠাৎই একদিন একটা ফোন আসে, হ্যালো আমি তমা… পাশের বাড়ির…
আনন্দে লাফ দিয়ে ওঠে হাবলু। তমাকে থামিয়ে দিয়ে বলে, কোথায় তুমি? ছাদে আসো না কেন? এই মেয়ে আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচব না। হু হু শব্দে কেঁদে ফেলে হাবলু। তমা একটা ফোন নম্বর দেয়। যুদ্ধ জয়ের প্রেরণা পায় হাবলু। তারপর থেকেই তাদের মধ্যে শুরু হয়ে যায় ইটিশ-পিটিশ ভালোবাসা!
ভালোবাসার এ রকম কত কাহিনী যে আছে তা বলে শেষ করা যাবে না। তবুও ভালোবাসার কথাই বলতে হয়। কারণ আজকে এই যে আমাদের পৃথিবী টিকে আছেসেটাতো ভালোবাসার কারণেই। মানুষ আসলে নিজেকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে বলেই বেঁচে থাকতে চায়। আর তাই ভালোবাসার পৃথিবীকে কখনই ধ্বংস করতে চায় না।
ধ্বংস নয় নির্মাণের পৃথিবী চাই। এজন্য ভালোবাসাই হতে পারে সবার জন্য অফুরাণ শক্তি। ভালোবাসার জয় হোক।