Home আরোও বিভাগ সিনেমা ভালোবাসার এক ডজন সিনেমা

ভালোবাসার এক ডজন সিনেমা

SHARE
Valentine-Film

গল্প, উপন্যাস, কবিতা, চিত্রকলা, সঙ্গীত, নাটক, চলচ্চিত্র-সর্বত্রই রয়েছে প্রেম ও ভালোবাসার উপস্থিতি। ‘প্রেম’ বিষয়টি চলচ্চিত্রের অন্যতম উপাদান। বিশ্বের শ্রেষ্ট চলচ্চিত্র গুলো প্রেমকে ঘিরেই নির্মিত। ভালোবাসা দিবসে দেশে নির্মিত বেশ কিছু প্রেমের ছবির তালিকা থাকছে এই প্রতিবেদনে। লিখেছেন মোহাম্মদ তারেক

বেঈমান: রুহুল আমিন পরিচালিত ‘বেঈমান’ ছবিতে অভিনয় করেছেন নায়করাজ রাজ্জাক, কবরী ও সুজাতা। ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৭৪ সালে। বেঈমান রাজ্জাক ও কবরী জুটির অন্যতম সফল একটি ছবি।
প্রেমিক: বড় পর্দায় রোমান্সের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি আলোচিত জুটি যদি নির্বাচিত করতে বলা হয় তাহলে উঠে আসবে ববিতা ও জাফর ইকবালের নাম। ববিতা ও জাফর ইকবাল জুটি অভিনীত অসংখ্য ছবির পর্দা রোমান্স পর্দা ছাড়িয়ে পর্দার বাইরের তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে বয়ো বৃদ্ধদেরও এখনো তারিত করে। ববিতা ও জাফর ইকবাল জুটি অভিনীত তেমনি একটি ছবি মইনুল হোসেনের ‘প্রেমিক’। ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৮৫ সালে।
অবুঝ মন: বরেণ্য চলচ্চিত্রকার কাজী জহির পরিচালিত ‘অবুঝ মন’ ১৯৭২ সালে মুক্তি পায়। ছবির প্রধান ৪টি চরিত্রে অভিনয় করেন রাজ্জাক, শাবানা, সুজাতা ও শওকত আকবর। প্রেম যে কোনো বাধা মানে না, ধর্মীয় রীতিনীতি, নিষেধাজ্ঞাও যে প্রেমের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না সেই রকম একটি হৃদয়ছোঁয়া কাহিনি নিয়ে নির্মিত ‘অবুঝ মন’। ছবিটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে। এই ছবি নির্মাণ করে অমর হয়ে রয়েছেন পরিচালক কাজী জহির নিজেও। ‘অবুঝ মন’ ছবির ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’ গানটি এখনো সবার মুখে মুখে ফেরে।
এপার ওপার: মাসুদ পারভেজ পরিচালিত ‘এপার ওপার’ নির্মিত হয়েছে ১৯৭৫ সালে। দুই গোত্রের দুই তরুণ-তরুণীর গভীর প্রেম এবং জীবন দিয়ে প্রেমকে প্রাণবন্ত করার গল্প নিয়ে নির্মিত ‘এপার ওপার’ ছবির প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন সোহেল রানা ও কলকাতার সোমা মুখার্জী। এই ছবির ‘ভালোবাসার মূল্য কত’ গানটি একটি প্রেমের ছবিকে পরিপূর্ণতা দান করে।
সুজন সখি: ‘সুজন সখি’ চলচ্চিত্রের বহুমুখী প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব খান আতাউর রহমানের অমর সৃষ্টি। ছবিটি পরিচালনা করেছেন খান আতার নেতৃত্বে গড়া পরিচালনা গোষ্ঠী প্রমোদকার। ছবির প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন কবরী ও ফারুক। একই পরিবারের চাচাতো ভাইবোনের মধ্যে প্রেম আর এই প্রেমের কারণে পারিবারিক দ্ব›দ্ব নিয়ে নির্মিত ‘সুজন সখি’ গল্প, গান, নির্মাণশৈলী এবং শিল্পীদের অভিনয় সব মিলিয়েই নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা প্রেমের ছবি। যা আজো দর্শক হৃদয়ে চিরস্থায়ী আসন গেড়ে আছে।
নয়নমণি: সদ্য প্রয়াত বরেণ্য লেখক ও চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘নয়নমণি’ নির্মিত হয়েছে তারই লেখা ‘নিরক্ষর স্বর্গে’ উপন্যাস অবলম্বনে। ১৯৭৬ সালে নির্মিত এই ছবির নাম ভ‚মিকায় অভিনয় করেন ববিতা ও ফারুক। একটি গ্রামের দুই যুবক-যুবতীর প্রেম প্রতিষ্ঠা এবং মৌলবাদীদের ফতোয়ার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ‘নয়নমণি’ একটি প্রেমের সিনেমা হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।

মনপুরা


মনপুরা: নাট্য নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিমের প্রথম চলচ্চিত্র ‘মনপুরা’। দুজন তরুণ-তরুণীর প্রেম, প্রেমের পথে বাধা, শেষ পর্যন্ত জীবন উৎসর্গ করার গল্প নিয়ে নির্মিত ‘মনপুরা’ সকল শ্রেণির দর্শকের ভালোবাসা অর্জন করে। ছবির শ্রæতিমধুর গানগুলোও ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। পরিচ্ছন্ন প্রেমের ছবি হিসেবে ‘মনপুরা’ একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

অনন্ত প্রেম: নায়করাজ রাজ্জাক পরিচালিত প্রথম ছবি ‘অনন্ত প্রেম’ ১৯৭৭ সালে নির্মিত হয়। প্রেমের টানে একজোড়া যুবক-যুবতীর ঘরছাড়া এবং একপর্যায়ে জীবন দিয়ে সেই প্রেমকে অমরত্ব প্রদান করাই ‘অনন্ত প্রেম’ ছবির মূল কাহিনি। ছবির প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রাজ্জাক ও ববিতা। এই ছবির ‘ও চোখে চোখ পড়েছে যখনি’ গানটি আজো সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের হৃদয়কে নাড়া দিয়ে যায়।
যাদুর বাঁশী: আবদুল লতিফ বাচ্চু পরিচালিত ‘যাদুর বাঁশী’ নির্মিত হয়েছে ১৯৭৭ সালে। একজোড়া তরুণ-তরুণীর ভালোবাসা নিয়ে নির্ভেজাল একটি গল্পের ছবি ‘যাদুর বাঁশী’র প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেন অপু সারোয়ার ও সুচরিতা। আরো ৪টি চরিত্রে ছিলেন রাজ্জাক, শাবানা, বুলবুল আহমেদ ও অলিভিয়া। এই ছবির ‘যাদু বিনা পাখি বাঁচিতে পারে না’ গানটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।
সারেং বউ: বরেণ্য অভিনেতা, নাট্যব্যক্তিত্ব ও চলচ্চিত্রকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ১৯৭৮ সালে ‘সারেং বউ’ ছবিটি নির্মাণ করেন বরেণ্য সাংবাদিক শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস অবলম্বনে। সারেং ফারুক ও গ্রামের সুন্দরী তরুণী কবরীর (নবীতুন) প্রেম এবং প্রেমের ক্ষেত্রে গ্রামের বিত্তশালী ব্যক্তির বাধা এবং ভয়াবহ জলোচ্ছাসের পরও তাদের বেঁচে থাকার গল্প নিয়ে ‘সারেং বউ’ ছবিটি নির্মিত হয়। এই ছবির ‘ওরে নীল দরিয়া’ গানটি ছবিটিকে পূর্ণতা দান করে।

কেয়ামত থেকে কেয়ামত: মুম্বাই-এর ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তাক’ ছবির কপিরাইট এনে পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান নির্মাণ করেন ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’। উপহার দেন সালমান শাহ ও মৌসুমীর মতো দুটি নতুন মুখ। আনন্দ মেলা সিনেমা লি.-এর প্রযোজনায় ১৯৯৩ সালে নির্মিত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ এবং সালমান শাহ ও মৌসুমী বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেন। আগেও কপিরাইট নিয়ে সিনেমা নির্মিত হলেও ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সাফল্যের দিক দিয়ে নতুন রেকর্ড স্থাপন করে যা পুরো চলচ্চিত্র শিল্পে নতুন প্রাণের সঞ্চার করে।
নয়নের আলো: বেলাল আহমেদ পরিচালিত নয়নের আলো ১৯৮৪ সালে নির্মিত হয়। জাফর ইকবাল, সুবর্ণা মুস্তাফা এবং কাজরী অভিনীত ত্রিভুজ প্রেমের এই ছবিটি তার সবগুলো গানের কারণে সিনেমা জগতে অমরত্ব লাভ করেছে। ‘আমার বুকের মধ্যখানে’, ‘আমার সারা দেহ খেও গো মাটি’ গান দুটি ‘নয়নের আলো’ ছবিকে জীবন্ত করে রেখেছে।

চাঁদনী

চাঁদনী: নব্বই দশকের শুরুতেই চলচ্চিত্র শিল্প যখন তীব্র শিল্পী-সংকটে পড়ে তখনই নতুন তারকার আবিষ্কারক ক্যাপ্টেন এহতেশাম একজোড়া নতুন মুখ নাঈম ও শাবনাজকে এনে নির্মাণ করেন প্রেমের ছবি ‘চাঁদনী’। ছবিটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের চেহারাই পাল্টে দেয়। ‘চাঁদনী’ চলচ্চিত্রে নতুনদের আসার পথ খুলে দেয়। শবনম, নাঈম ও শাবানার আবিষ্কারক এহতেশাম এবং তার আবিষ্কার নাঈম ও শাবনাজ চলচ্চিত্রে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেন যা দিয়ে চলচ্চিত্র শিল্প অনেকটা পথ হাঁটার সুযোগ পায়।
স্বপ্নের ঠিকানা: এম এ খালেক পরিচালিত ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ সালমান শাহ ও শাবনূর জুটির প্রথম বড় রকমের সফল ছবি। ত্রিভুজ প্রেমের এই ছবিতে আরেকজন ছিলেন সোনিয়া। ১৯৯৫ সালের সবচেয়ে ব্যবসা-সফল ছবি ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ একটি নির্ভেজাল প্রেমের ছবি। গল্প, নির্মাণশৈলী, শিল্পীদের অভিনয় এবং ছবির শ্রæতিমধুর গান ‘স্বপ্নের ঠিকানা’কে সেরা প্রেমের ছবির মধ্যে স্থান করে দেয়।

হঠাৎ বৃষ্টি

হঠাৎ বৃষ্টি: ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনার ছবি। বাসু চ্যাটার্জি পরিচালিত এই ছবির বাংলাদেশি প্রযোজক হাবিবুর রহমান খান। এই ছবির মাধ্যমে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লি. টেলিভিশনে নতুন ছবির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ারের ধারা প্রচলন করে। ফেরদৌস ও প্রিয়াংকা বেদী অভিনীত ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ছবি যা বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচার হবার পর সিনেমা হলে মুক্তি পায়। এটি একটি রেকর্ড। ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ছবি ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ নচিকেতা ঘোষের গানের কারণেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
মনের মাঝে তুমি: মতিউর রহমান পানু পরিচালিত ‘মনের মাঝে তুমি’ বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনার ছবি। ভারতের হায়দ্রাবাদের দৃষ্টিনন্দন লোকেশনে চিত্রায়িত এবং শ্রæতিমধুর গানসর্বস্ব এই ছবির প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেন রিয়াজ ও পূর্ণিমা। প্রচÐভাবে ব্যবসা-সফল ও আলোচিত ছবি ‘মনের মাঝে তুমি’ প্রেমের ছবি হিসাবে সবদিক দিয়েই সেরা হিসেবে চিহ্নিত হয়।

শ্রাবণ মেঘের দিন (১৯৯৯)

শ্রাবণ মেঘের দিন (১৯৯৯): নন্দিত কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ নির্মান করলেন ভালোবাসার সিনেমা ‘শ্রাবন মেঘের দিন’। গায়েন মতি, গ্রাম্য কিশোরী কুসুম, জমিদার নাতনী শাহানা,আর শহুরে যুবক সুরুজের মাঝে যে অব্যক্ত প্রেমের মানসিক টানাপোড়ন,তা দর্শকদের মনে ভীষনভাবে নাড়া দিয়েছিল। দারুন সব গান,দুর্দান্ত গল্প,নির্মানশৈলীর কারনে দর্শকমহলে এই সিনেমাটি ভীষন জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। জাহিদ হাসান, শাওন, মুক্তি, মাহফুজ আহমেদ অভিনীত এই ছবিটি দর্শকপ্রিয়তার পাশাপাশি জাতীয় পুরস্কারেও বেশ আলোচিত ছিল।
দেবদাস (১৯৮২): অমর কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর প্রেমের উপন্যাস অবলম্বনে চাষী নজরুল ইসলাম নির্মান করেন ‘দেবদাস’। পার্বতীর সাথে দেবদাসের প্রেম, দুইজনের মধ্যে বিচ্ছেদ,মাঝে বাঈজী চন্দ্রমুখীর আগমন,আর শেষদৃশ্যে দেবদাসের করুন পরিনতি।পুরো উপন্যাস যেন ফুটে উঠেছিল এই সিনেমায়,আর তাই পেয়েছেও দারুন জনপ্রিয়তা।দেবদাস চরিত্রে বুলবুল আহমেদের অনবদ্য অভিনয় এখনো দর্শকদের মনে গেঁথে আছে,সাথে পার্বতী চরিত্রে মিষ্টি মেয়ে কবরী, আর চন্দ্রমুখী হয়ে আনোয়ারা ছিলেন এই সিনেমার অন্যতম প্রান।

ঘুড্ডি (১৯৮০)

ঘুড্ডি (১৯৮০): এই সিনেমা তারুন্যের গল্প,প্রথা ভাঙ্গার গল্প,সর্বোপরি এক ভালোবাসার গল্প। এমনই এক ভিন্নধারার গল্পে রাইসুল ইসলাম আসাদ ও সুবর্ণা মুস্তফাকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন পরিচালক সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী।এই সিনেমা দিয়েই বাংলা চলচ্চিত্রে প্রেম ও ফ্যাশন জগতে এক ভিন্নধারার সৃষ্টি হয়েছিল। তারুন্যের উচ্ছ¡লতায় প্রেমিক প্রেমিকার কন্ঠে ‘চলো না ঘুরে আসি’ গানটি আজো সমান জনপ্রিয়। দর্শকপ্রিয়তার পাশাপাশি ছবিটি একাধিক শাখায় জাতীয় পুরস্কার অর্জন করেছিল।
ভেজা চোখ (১৯৮৮): অসুস্থ প্রেমিকের প্রতি প্রেমিকার ভালোবাসা,কাছে আসার আকাঙ্খা। দুই তরুন তরুনীর এই গভীর ভালোবাসা পর্দায় ধরা দিয়েছিল শিবলী সাদিকের চলচ্চিত্র ‘ভেজা চোখ’ হয়ে।ইলিয়াস কাঞ্চন ও চম্পা অভিনীত এই ছবিটি ছিল তাদের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা অর্জন। ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৮৮ সালে।
লাভ স্টোরি (১৯৯৫): কাজী হায়াত সাধারনত যে ধারার সিনেমা বানান, সেইখান থেকে এই ছবি বেশ আলাদা। মানসিক ভারসাম্যহীন এক মেয়েকে তাঁর বাবা শহরে নিয়ে আসে চিকিৎসার জন্য, সেখানে প্রেমে পড়ে এক ডাক্তারি পড়ুয়া ছাত্রের। কাজী হায়াতের দক্ষ নির্মানশৈলী, দুর্দান্ত গল্প পাশাপাশি রোজি সেলিম, পল্লব, আসাদের অভিনয় সিনেমাটিকে করেছে এক কথায় অনবদ্য। সম্ভবত তারকাখচিত না হওয়ায় বানিজ্যিকভাবেও সফল হয়নি, তাই বেশ ভালো সিনেমা হয়েও অপেক্ষাকৃত কম আলোচিত এই সিনেমাটি। কাজী হায়াতের অন্যতম সেরা ছবি তো বটেই, পাশাপাশি ভালোবাসার সিনেমা হিসেবেও এটি বেশ আলোচিত।