SHARE
বইয়ের বিক্রি জমে উঠেছে

এতো বড় বইমেলা অথচ বিকেলে মেলার কোনো কোনো অংশে মানুষের ভীড়ে হাটাচলা করাই মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছিল গতকাল। সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছিল বলেই ভীড় ছিল বেশী। সকালে শিশু প্রহরে শিশুদের ভীড় ছিল। বিকেলে শিশুরাও ছিল। তাদের সাথে আরও ছিলেন অনেক ক্রেতা দর্শক। ভীড়ের মাঝে বইয়ের বিক্রিও ছিল বেশ। কয়েকজন প্রকাশক বললেন, ১৩ ফেব্রæয়ারি থেকে বইমেলায় ভীড় যেমন বেড়েছে তেমনি বেড়েছে বেচাবিক্রিও। আশা করা যায় আজ শনিবার ছুটির দিনে বইমেলা আরও জমবে। বেচাবিক্রি আগের চেয়ে আরও বাড়বে। আয়োজনগত দিক থেকে এবারের বইমেলা অনেক বেশী সুন্দর। অন্যান্যবার যেমন স্টল বিন্যাস, মেলা মাঠে ধুলার আধিক্য সহ নানা ধরনের অভিযোগ থাকে এবার সে ধরনের অভিযোগ নাই বললেই চলে। বরং মেলা নিয়ে প্রশংসা চলছে সবার মাঝে। স্টল ও প্যাভিলিয়ন সাজানো নিয়ে ক্রেতা দর্শক যেমন খুশি তেমনি খুশি প্রকাশকরাও। প্রতি বছর বইমেলায় লেখকদের জন্য লেখককুঞ্জ অথবা লেখক কর্নার নামে একটি স্টল বরাদ্দ রাখা হতো। কিন্তু আয়োজনগত ত্রæটির কারণে সেখানে কবি লেখকরা বসতেন না। এবার এই আয়োজনের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে। লেখক কুঞ্জ হয়ে গেছে ‘লেখক বলছি’ নামের আলোচিত এক অনুষ্ঠান। প্রতিদিনের মতো গতকালও লেখক বলছি অনুষ্ঠানে ৫ জন কবি ও লেখক তাদের বই নিয়ে হাজির হন। বিপুল সংখ্যক শ্রোতা দর্শক অনুষ্ঠানটি উপভোগ করে।