SHARE
Vote

আনন্দ আলো প্রতিবেদন
ভোটে দাঁড়ালে প্রতিশ্রæতি দিতে হয়। এটা করব, ওটা করব। পারি না পারি প্রতিশ্রæতির পাহাড় গড়তে তো দোষ নাই? আগে তো ভোটে জিতি তারপর দেখা যাবে কোথাকার পানি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়। তাছাড়া কথা দিয়ে কথা যে রাখতেই হবে তার তো কোনো মানে নেই। আমি তোমাকে ভালোবাসি, তোমাকে ছাড়া বাঁচব না। মাথা ছুঁয়ে একথা বলার পরও তো অনেকে সম্পর্কচ্ছেদ করে। আর সেখানে ভোটের প্রতিশ্রæতি? সেটাতো কথার কথা।
মাত্র কয়েকদিন আগে অনুষ্ঠিত হলো অভিনয় শিল্পীদের নির্বাচন। মনে হয়েছিল জাতীয় সংসদের নির্বাচন হচ্ছে। নির্বাচনের দিন শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সঙ্গীতশালায় ভোট কেন্দ্রের আশেপাশের দৃশ্য দেখে মনে হয়েছে ভোটের লড়াইয়ে শিল্পীরাও পিছিয়ে নেই। আশেপাশে একাধিক নির্বাচনী ক্যাম্প। কেউ ফুল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ভোটের ক্যাম্পেইন করার জন্য অনেকে লোক ভাড়া করে নিয়ে এসেছেন। পরিবেশ দেখে কখনো কখনো মনে হচ্ছিল এ বুঝি সত্যি সত্যি নির্বাচন নয়। নাটক অথবা সিনেমার জন্য শুটিং জোন সাজানো হয়েছে। যথার্থভাবে নির্বাচনী পরিবেশ চাই। দর্শক নাটক বা সিনেমাটি দেখার পর যেন খুশি হয়ে বলেÑ হ্যাঁ নির্বাচনের দৃশ্য ছিল পারফেক্ট। এ ব্যাপারে পরিচালক মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন।
Vote-1যারা অভিনয় শিল্পী তাদের মধ্যে অনেকেইতো পরিচালকও। সে কারণে ভোটের চিত্র পারফেক্ট হতে হবে এই চেষ্টাই তো থাকার কথা। তা নাহলে কিসের পরিচালক? হ্যাঁ, অভিনয় শিল্পীদের নির্বাচনে ভোটের পরিবেশ যথার্থ ছিল। নম্বর হিসেবে দশে দশ। মহাসমারোহে সবাই ভোট দিয়েছে। প্রার্থীরা প্রতিশ্রæতিও দিয়েছে মহাসমারোহে। একজন প্রার্থীর প্রতিশ্রæতিও লম্বা তালিকা শোনাই আপনাদের। রঙিন কাগজে তিনি শিল্পীদের জন্য পারি বা না পারি অনেক প্রতিশ্রæতি তুলে ধরেছিলেন। শিল্পীদের বলা হয় পেশাগত শিল্পী (বাক্যটা বোধকরি শুদ্ধ নয়) কিন্তু পেশাগত মর্যাদা দেয়া হয় না। শিল্পীদের পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। একটি বহুতল ভবন তৈরি এবং বিভিন্ন তলায় শিল্পীদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা সহকারে ব্যবস্থা করবো। শিল্পীদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করবো। কারণ দেশের প্রতিটি শিল্পীর জন্য একটি করে প্লট বরাদ্দ আছে (এই বিষয়টিও স্পষ্ট নয়) অভিনয় শিল্পী সংঘের প্রত্যেক সদস্যকে একটি করে স্মার্ট কার্ড প্রদান করবো। যা দ্বারা দেশে এবং বিদেশে শিল্পীদের বিশেষ সুবিধা দেয়া যাবে (এ কথাও স্পষ্ট নয়) শিল্পীদের পুলিশীসহ সকল প্রকার আইনী সহায়তা প্রদান করবো। বিদেশে যাবার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা যেমন ভিসা, পাসপোর্ট, এয়ারপোর্ট সুবিধা প্রদান করবো। শিল্পীর নামে অশিল্পীদের বিদেশ যাবার ক্ষেত্রে বিশেষ আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন হাসপাতালসহ বিশেষ স্থানে ৫০% পর্যন্ত ছাড়ের ব্যবস্থা করবো…।
Vote-2এরকম আরো অনেক প্রতিশ্রæতি দিয়েছেন এই প্রার্থীরা। প্রতিশ্রæতির দীর্ঘ তালিকা দেখে শিল্পীদের মনে ফুর্তি জাগার কথা। শিল্পী হলে এত কিছু পাওয়া যায়? এটা ভেবে যারা শিল্পী নন তাদের মনের ভেতরে শিল্পী হবার বাসনা জাগ্রত হতে পারে। হয়তো কেউ কেউ আফসোসও করেছেন। আহারে কেন শিল্পী হলাম না?
কিছুদিন আগে ডিরেক্টরস গিল্ডের এমনই এক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের দিন শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এক ভদ্রলোকের সঙ্গে দেখা। এতদিন বিদেশে ছিলেন। দেশে ফিরে এসেছেন। কিছু একটা করতে চান। কথায় কথায় জিজ্ঞেস করলেনÑ আপনাদের এই সংগঠনের সদস্য হবার প্রক্রিয়া কি? তাকে প্রক্রিয়ার কথা জানালাম। ভেবে নিয়ে বললেন, তাহলে তো আপনাদের সংগঠনের সদস্য হতে হবে। সদস্য হয়ে থাকি, ব্যবসা বাণিজ্যে এই পরিচয়টা কাজে দিবে কি বলেন?
আনন্দ আলোর এই প্রতিবেদন কাউকে দুঃখ দেয়ার জন্য নয়। কিন্তু সময়ের প্রয়োজনে বোধকরি কিছু কথা বলা জরুরি।
নির্বাচন মানে নিজেদেরকে সংগঠিত করা। সামনের সময়গুলোতে জোরসে কদম চলার শপথ নেয়া। ইতিপূর্বে ডিরেক্টরস গিল্ডের নির্বাচন হয়েছে। কয়েকদিন আগে হলো অভিনয় শিল্পীদের নির্বাচন। নাটকের প্রযোজকরাও নির্বাচন করার তোড়জোড় শুরু করেছেন। সবাই ভোটের লড়াইয়ে ব্যস্ত। কিন্তু এই লড়াই কার জন্য? শিল্পীর নিজের জন্য? নাকি গোটা ইন্ডাস্ট্রির জন্য? এই যে শিল্পীদের নানা পর্যায়ে এত এত নির্বাচন হচ্ছে সে ক্ষেত্রে কারো মুখেই ইন্ডাস্ট্রিকে এগিয়ে নেয়ার কথা শুনিনি। অভিনয় শিল্পীদের নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রায় সকলে রঙিন প্রতিশ্রæতিনামা ছাপিয়েছেন। কেউই ইন্ডাস্ট্রিকে এগিয়ে নেয়ার জন্য তেমন কোনো প্রতিশ্রæতি দেননি। সবই করবো নিজেদের জন্য। হ্যাঁ, ভালো কথা। নিজে বাঁচলে তবেই না বাপের নাম। নিজে আগে বাঁচি তারপরতো ইন্ডাস্ট্রির কথা বলবো। এই নিজেরা বলতে কারা? অভিনয় শিল্পী সংঘের ভোটার তালিকায় দেখলাম ৭১৬ জন শিল্পী এই সংগঠনের ভোটার। তার মানে শুধু টেলিভিশনে অভিনয় করে এমন শিল্পীর সংখ্যা আমাদের দেশে ৭১৬। কিন্তু দর্শক কয়জনকে চিনে?
Vote-3ডিরেক্টরস গিল্ডের সদস্য সংখ্যা প্রায় ৫শর কাছাকাছি। এদের মধ্যে কয়জন আসলে প্রকৃত অর্থে ডিরেক্টর? অভিনয় শিল্পী সংঘের ৭১৬ জন সদস্যের মধ্যে প্রকৃত অর্থে সবাই কি শিল্পী?
শুনলাম ১০টি নাটক, টেলিফিল্মে অভিনয় করেছে এমন যোগ্যতাসম্পন্ন শিল্পীই এই সংগঠনের সদস্য হবার যোগ্য। আবারও বিনীতভাবে বলি কাউকে দুঃখ দেবার জন্য আমাদের এই প্রতিবেদন নয়। আমরা শিল্পীর মর্যাদা চাই, শিল্পীর যোগ্য সম্মান চাই। ভোট বিপ্লবের মাধ্যমেও তা গড়ে তোলা সম্ভব। কিন্তু ভোট বিপ্লবও ব্যর্থ হয় তখন, যখন যোগ্য ভোটার থাকে না। ১০টি নাটকে অভিনয়ের যোগ্যতা মানে কি? দর্শক অথবা পথচারি হয়ে অভিনয় করেছে এমন ১০টি হলেও চলবে। এর ফলে যা ক্ষতি হবার তা হয়ে গেছে। বিভিন্ন শুটিং বাড়িতে নাটক, সিনেমার শুটিং হয়। শুটিং চলাকালে নাটকের প্রয়োজনে হয়তো দারোয়ান, কাজের ছেলে অথবা প্রতিবেশী জাতীয় কোনো চরিত্রের প্রয়োজন পড়লো। তখন ডাকা হয় হাউস বয়কে। না হয় সঙ্গে আসা কোনো আত্মীয়কে। সে পার্ট গেয়ে দেয়। এটা করতে করতে কেউ কেউ হয়তো ১০টা নয় ৫০ নাটকের মালিক হয়ে গেছে। সঙ্গত কারণেই সেও হয়েছে অভিনয় শিল্পী সংঘের সদস্য। অভিনয় শিল্পী সংঘের নির্বাচনে একটি মজার তথ্য পাওয়া গেল। ৭১৬ জন সদস্যের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৬০৭ জন। তাদের মধ্যে ৪০ জনের ভোট বাতিল হয়ে গেছে। তার মানে তারা জানেই না ভোট কীভাবে দিতে হয়। অথচ তারা অভিনয় শিল্পী সংঘের মতো একটি অত্যন্ত মর্যাদাবান সংগঠনের সদস্য। ভাবা যায়। এই বাস্তবতা সংগঠনকে কোথায় নিয়ে দাঁড় করাবে বোধকরি তা ভাবার সময় এসেছে।
একথা বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে একটা ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে আমাদের দেশ। ত্রিশটিরও বেশি টেলিভিশন চ্যানেল কার্যকর থাকা সত্তে¡ও পাশের দেশের একাধিক টিভি চ্যানেল এখানে ব্যাপক জনপ্রিয়। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল। কিন্তু আকাশকে নিয়ন্ত্রণ করবো কীভাবে? আকাশ থেকে ভেসে আসা অসুস্থ সংস্কৃতি জেঁকে বসেছে আমাদের সামাজিক ও পারিবারিক জীবনে। এজন্য সম্মিলিত প্রতিরোধ জরুরি। এই প্রতিরোধের প্রধান অস্ত্র মেধা ও মনন। একসময় যখন বিটিভি ছিল আমাদের একমাত্র টেলিভিশন চ্যানেল তখন নাটক, সিনেমার ক্ষেত্রে আমরাই ওদেরকে আকৃষ্ট করেছি। পাশের দেশের ওরা আমাদের নাটক, সিনেমা দেখার জন্য অধীর আগ্রহে বসে থাকত। আর আজ ওদের নাটক, সিনেমার জন্য আমরা বসে থাকি। কেন এই অবস্থা? ওরা নিজেদেরকে সময়ের সঙ্গে বদলে ফেলেছে। কিন্তু আমরা সেটা পারিনি।
আসলেই একটা বদল দরকার। সেটা নিজের ক্ষেত্রে যেমন জরুরি, তেমনি সমষ্টি ক্ষেত্রেও জরুরি। শিল্পীরা যারা নিয়মিত অভিনয় করেন তাদের অনেককেই বলতে শুনি ‘আমাদের নাটক কেউ দেখে না। কথা সত্যি। আমাদের টেলিভিশন নাটক দর্শক হারাতে বসেছে। যদি নাটকের দর্শকই না থাকলো তাহলে এই যে সবাই এত সংগঠন করছি, সংগঠিত হচ্ছি, লাভ কী? নাটক, সংস্কৃতি না টিকলে পারফরমাররাও টিকবে না। সংগঠন তো অনেক হলো। এখন দরকার ভালোমানের টিভি অনুষ্ঠান, নাটক, টেলিফিল্ম, সিনেমা নির্মাণ করা। সেটা করতে হবে আমাদের সবাইকে। সেক্ষেত্রে কি আমরা আন্তরিক? আমরা পেশার মর্যাদা রক্ষার কথা বলছি। কিন্তু পেশাটাকেতো আগে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে হবে। আমি নিজে মাঝে মাঝে টিভি নাটক বানাই। আজ থেকে ১৫/২০ বছর আগে নাটক নির্মাণের জন্য যে বাজেট পাওয়া যেত এখন তা কমে এসেছে। বিটিভির জন্য ‘পতাকা’ নামে একটি বিশেষ নাটক নির্মাণ করেছিলাম। খরচ হয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা। এখন সেটা কল্পনাই করা যায় না। নাটক, টেলিফিল্ম নির্মাণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন খাতে এখন অতীতের তুলনায় অনেক বেশি টাকা ব্যয় করতে হয়। দশ বছর আগে শুটিং ইউনিটে ভাতের প্লেট (দুপুরের খাবার) ছিল ৬০/৬৫ টাকা। বর্তমানে ভাতের প্লেটের দাম দিতে হয় ৮০/৮৫ টাকা। শুটিং এর জন্য যে গাড়ি ব্যবহার করা হয় তার ভাড়া বেড়েছে। শুটিং হাউসের ভাড়া বেড়েছে। শিল্পীদের সম্মানী বেড়েছে। শুধু বাড়েনি নাটকের দাম। তাহলে কীভাবে ভালো নাটক করা সম্ভব? ভালো নাটক না বানালে ভালো দর্শকও পাওয়া যাবে না। আর দর্শকই যদি না থাকে তাহলে ভোটের লড়াই করে নেতা হয়ে লাভ কী!
তবে আমরা আশাবাদী। ডিরেক্টরস গিল্ড, অভিনয় শিল্পী সংঘের মূল নেতৃত্বে এবার যারা এসেছেন তারা সবাই নিশ্চয়ই পরিস্থিতি বুঝে কাজ করবেন। অভিনয় শিল্পী সংঘের নবনির্বাচিত সভাপতি শহীদুল আলম সাচ্চু, সাধারন সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিমের সাংগঠনিক দক্ষতার ওপর সবার ভরসা রয়েছে। আশাকরি তারা দু’জনই শিল্পীর মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি গোটা ইন্ড্রাস্ট্রির ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবেন। এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
আনন্দ আলোর পক্ষ থেকে কয়েকটি পরামর্শÑ
এক. পেশাগত মর্যাদা রক্ষা করতে চাইলে আগে দরকার পেশার গুরুত্ব সৃষ্টি করা।
দুই. টেলিভিশনে বিনোদন ভিত্তিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে নাটকের ভ‚মিকা অনেক। কাজেই নাটক নির্মাণ ভাবনায় নতুন গতির সঞ্চার করতে হবে। বাজেট স্বল্পতার কারণে অনেকের প্রবণতা থাকে সীমিত সংখ্যক পারফরমার দিয়ে নাটক, টেলিফিল্ম নির্মাণ করার। এই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। নাটকের গল্পে শুধু নায়ক নায়িকা আর তাদের বান্ধবী এবং একজন ভিলেন থাকবে এই ফর্মুলা থেকে বেরিয়ে যেতে হবে।
তিন. নাটকের গল্পে আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি দরকার। ইদানিং অন্যের কাহিনী নকল করে নাটক বানানোর প্রবণতা বেড়েছে। প্রযুক্তিগত উন্নয়নের এই যুগে নকল করা জিনিসের কোনো দাম নেই। কাজেই মৌলিক গল্প দরকার।
চার. পেশার প্রতি দায়বদ্ধতা জরুরি। সেখানে নিয়ম পালনের ব্যাপারটা আরো জরুরি। আমাদের মিডিয়ায় শুটিং সংস্কৃতিতে বিশ^স্ততা আনা জরুরি। আমি দেরি করলে অন্যেরা বসে থাকবে। কাজেই কলটাইম সকাল ১০টা মানেই ৯টা ৫৯ মিনিট এবং অবশ্যই ছুটির সময়টাও নির্ধারণ করতে হবে।
পাঁচ. নাটকের মানুষেরা যদি হয় একটি বড় পরিবার তাহলে সেই পরিবারে একটা ডিসিপ্লিন থাকা জরুরি। এটা নির্ভর করে পারস্পরিক সুন্দর সম্পর্কের ওপর। বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা আর ছোটদের প্রতি ¯েœহের আলিঙ্গন না থাকলে যত সংগঠনই গড়ে উঠুক শেষ পর্যন্ত কাজের কাজ কিছুই হবে না।
আশায় আছি আশায় বাঁচি
আমরা আশাবাদী এবার ভালো কিছু একটা হবেই। শিল্পীর মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নে শিল্পীকে বাঁচানোর কাজে আরো আন্তরিক হবেন সবার এটাই আন্তরিক প্রত্যাশা। আশায় আছি, আশায় বাঁচি…।