Home আরোও বিভাগ টিভি গাইড তাই বিজ্ঞাপন নিয়েই আছি!

তাই বিজ্ঞাপন নিয়েই আছি!

SHARE

নির্মাতা হিসেবে তার জনপ্রিয়তা বেশ। আলোচিত সব নাটক নির্মাণ করে দর্শকদের আস্থার জায়গা অনেক আগেই অর্জন করেছেন তিনি। হাওয়াই মিঠাই, সিরিয়াস একটি কথা আছে, ছায়াবাজি, চৌধুরী সাহেবের ফ্রি অফারসহ অসংখ্য জনপ্রিয় নাটক তিনি দর্শকদের উপহার দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি বিজ্ঞাপন নির্মাণে বেশি ব্যসত্ম রয়েছেন। খুব শিগগিরই চলচ্চিত্র নির্মাণে এগুবেন। পাঠক, তিনি নির্মাতা শরাফ আহমেদ জীবন। সময়সাময়িক ব্যসত্মতা এবং নতুন কিছু কাজের পরিকল্পনার কথা বলেছেন তিনি-

আনন্দ আলো: নাটক থেকে বিজ্ঞাপনে বেশি ব্যসত্ম কেনো?

শরাফ আহমেদ জীবন: এক কথায় বাজেট। নাটকে বাজেট কম পাই ফলে যেভাবে কাজ করতে চাই কিংবা গল্পের ডিমান্ড অনুযায়ী নির্ধারিত জায়গায় যখন শ্যুট করতে পারি না তখন খারাপ লাগে। তাই বিজ্ঞাপনে বেশি মনযোগী হলাম। কারন বিজ্ঞাপনে নানান ধরনের কনসেপ্ট নিয়ে কাজ করা যায় এবং যখন যেখানে যা ডিমান্ড থাকে ঠিক সেইভাবে শুটিং করতে পারি।

আনন্দ আলো: কোন কোন বিজ্ঞাপনগুলো নির্মাণ করেছেন?

শরাফ আহমেদ জীবন: আমার সবচেয়ে আলোচিত বিজ্ঞাপন হচ্ছে গ্রামীণফোনের ‘আমরা আমরাই তো’। এটা আমার বিজ্ঞাপনে টার্নিং পয়েন্টও বলতে পারেন। এজন্য আমি কৃতজ্ঞ গ্রে-এর গাউসুল আলম শাওন ভাইয়ের প্রতি। এছাড়া রয়েছে- নাম্বার ওয়ান চা, ইউ ক্যাশ, বিকাশের ৩টা সিরিজ, ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড এটুআই, মরটিন, প্রাণ আরএফএল, মিনিস্টার ফ্রিজ সহ গত তিন বছরে প্রায় ১০০টি বিজ্ঞাপন। এছাড়াও ইউএসএআইডি-এর আপনজন প্যাকেজের বিজ্ঞাপনটি ব্র্যান্ড ফোরামের সেরা বিজ্ঞাপন অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে। সামনে আরো প্রচারে আসবে এসআলম গ্রুফ, প্রাণ আরএফএলসহ বেশকিছু বিজ্ঞাপন।

আনন্দ আলো: নাটকের জায়গাটা মিস করেন না?

শরাফ আহমেদ জীবন: অবশ্যই করি। আর নাটক যে এখন নির্মাণ করছি না তা কিন্তু নয়। বিশেষ দিবস কিংবা উৎসব পার্বণে নাটক নির্মাণ করছি। আমার ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল মোসত্মফা সরয়ার ফারুকীর হাত ধরে ২০০২ সালে। বেশ কয়েক বছর তার সহকারী হিসেবে কাজ করার পর ২০০৬ সালে নিজের পরিচালনায় ‘ঘর নাই’ শিরোনামের নাটকটি চ্যানেল আইতে প্রচার হয়। একে একে নির্মাণ করি বেশকিছু নাটক। আর সর্বশেষ নিম পাতার জুশ ও পুরান ঢাকার ফুল ভাই নাটক দুটি নির্মাণ করি। নাটক নির্মাণের মূল সমস্যাটা হলো বাজেট।

এবার নাটকে নকলের অভিযোগ!

Nokol-Natokবাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় এক নাম বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়। তবে তিনি বনফুল নামেই পরিচিত। তার বিখ্যাত গল্প ‘স্ত্রী-চরিত্র’। নাট্যকার আশরাফুল চঞ্চল গেল বছরের রোজার ঈদে এই গল্পের অনুকরণে হুবহু তৈরি করেছিলেন নাটক ‘অনিন্দিতা’ এমনটাই অভিযোগ উঠেছে। নাটকে আশরাফুল চঞ্চল নিজেই ছিলেন চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক। নাটকটি বনফুলের গল্পের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। সহজেই অনুমান করা যায়, বনফুল থেকে অনুপ্রাণীত হয়েছেন তিনি। নতুন করে এই আলোচনার একমাত্র কারন হলো ‘অনিন্দিতা’ নাটকের চিত্রনাট্য লিখে ‘মেরিল-প্রথম আলো ২০১৫’ পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। সেখানে টেলিভিশন সমালোচক ক্যাটাগরিতে সেরা চিত্রনাট্যকার হিসেবে পুরস্কৃত হন চঞ্চল! নাটকটির ইউটিউব লিংকে দেখার সময়ও কোথাও বনফুলের নাম খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমনকি বলাইচাঁদের নামও ব্যবহার করা হয়নি। এই নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে নাটক পাড়ায়। তবে প্রথম আলো থেকে দাবি করা হয়েছে, প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার জন্য যে ভিডিওটি আশরাফুল চঞ্চল জমা দিয়েছেন সেখানে বনফুলের নাম উল্লেখ ছিলো শুরুতেই। অনেকের মতে, টেলিভিশনে প্রচারের সময় একটি ফিকশনের যা থাকে তা-ই হুবহু ইউটিউবে পোস্ট হয়ে থাকে। যদি আশরাফুল চঞ্চলের ‘অনিন্দিতা’য় বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের কথা থাকতো তাহলে অবশ্যই তা ইউটিউব লিংকে দেখা যেতো। কিন্তু ইউটিউবে ‘অনিন্দিতা’ নাটকের যে লিংক পাওয়া গেছে সেখানে আশরাফুল চঞ্চল নিজের নামের আগে নাটকটিতে রচনা ও পরিচালনার কথা উল্লেখ করেন।

বিটিভিতে গল্প নয় সত্য

মানবসম্পদ উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার অনুষ্ঠান ‘গল্প নয় সত্য’। সম্প্রতি রাজধানীর একটি তারকা  হোটেলে ‘গল্প নয় সত্যি’-এর প্রচারমূলক এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল জাইকা। অনুষ্ঠানে এই টিভি অনুষ্ঠানটির বিসত্মারিত জানানো হয়। অনুষ্ঠানটি নির্মাণে সার্বিক সহায়তা দিয়েছে জাপানি প্রতিষ্ঠান জাইকা। প্রচারণামূলক এ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন জাইকার প্রধান প্রতিনিধি মিকিও হাতায়েদা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অন্যতম মহাপরিচালক কবির বিন আনওয়ার, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক এস এম হারুন-অর-রশিদ, এটুআইয়ের পিপলস পারস্পেকটিভ বিশেষজ্ঞ নাইমুজ্জামান ভূঁইয়া ও জাইকা বিশেষজ্ঞ দলের প্রধান তায়েকি তাকাহাশি।