SHARE
9-Feb

বিশেষ প্রতিনিধি
আজ বইমেলার নবম দিন। দেখতে দেখতে এবারের বইমেলার অর্ধেক দিন তো প্রায় চলেই গেল। তবে এবার বইমেলা অন্যান্যবারের চেয়ে আরও আকর্ষনীয় ও বর্নাঢ্য হয়ে উঠেছে। বইয়ের স্টল ও প্যাভিলিয়ন সেজেছে আন্তর্জাতিক আবহে। মেলায় যারাই নতুন আসছেন তারাই মেলার নান্দনিক পরিবেশ দেখে অবাক হচ্ছেন। কেউ কেউ যেন ভাবতেই পারছেন না এটা আমাদের সেই বইমেলা। যার সূচনা হয়েছিল বাংলা একাডমির আঙিনায় নরম ঘাসের ওপর চট বিছিয়ে। আজকের বইমেলা দেখলে অতীতকালের সেই স্মৃতিকে অনেকটাই অবিশ্বাস্য মনে হয়। কিন্তু এটাই সত্যি। চট বিছানো বইমেলা এখন অনেক বর্নাঢ্য ও বর্নিল। তবে প্রশ্ন উঠেছে বইমেলা তো আকার আয়তনে অনেক বড় হলো। সেই তুলনায় ভালো বইয়ের সংখ্যা কি বাড়ছে?
গতকাল শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বইমেলায় বিপুল সংখ্যক ক্রেতা দর্শকের সমাগম হয়েছিল। দিনের প্রথম ভাগে ছিল শিশু প্রহর! বাবা-মায়েদের হাত ধরে অনেক শিশু-কিশোর বইমেলায় এসেছিল। বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থার কর্মকর্তা ও বিক্রয় প্রতিনিধিদের বক্তব্য, গতকাল বইমেলায় বইয়ের বিক্রি ছিল বেশ আশাব্যঞ্জক। প্রায় প্রতিটি স্টল ও প্যাভিলিয়নে ভীড় করে ক্রেতারা বই কিনেছেন। বাংলা একাডেমির বিক্রয় কেন্দ্রে ভীড় ছিল বিশেষ ভাবে উল্লেখ করার মতো। বিভিন্ন প্রকার অভিধান কেনার ক্ষেত্রে পাঠকের ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে।
এবার বইমেলায় ‘লেখক বলছি’ নামে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান ইতিমধ্যে ব্যাপক আলোচিত হয়ে উঠেছে। ওই অনুষ্ঠানে প্রতিদিন নবীণ প্রবীণ কবি, লেখকবৃন্দ তাদের নতুন বই নিয়ে হাজির হচ্ছেন। নিজেরা বই নিয়ে কথা বলছেন। পাঠকের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন। বাংলা একাডেমির এই নতুন উদ্যোগের আরও প্রসার হোক এই কামনা রইল।