SHARE
Book-fair

বিশেষ প্রতিনিধি
দেখতে দেখতে আমাদের বইমেলাটা অনেক বড় হয়ে গেল। ভাবুন তো একবার বাংলা একাডেমির আঙিনায় নরম ঘাসের ওপর চট বিছিয়ে বইয়ের পসরা সাজিয়ে একদিন যে বইমেলা শুরু হয়েছিল আজ সেই বইমেলা আকার আয়তনে অনেক বড়, বিস্তৃত হয়েছে। বাংলা একাডেমির আঙিনার পাশাপাশি বইমেলা চলে গেছে পাশেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যাণে। অথচ এক সময় এর বিরোধীতা করেছিলেন অনেকে। একাডেমির বাইরে একুশে বইমেলার পরিসর বাড়ানো উচিৎ হবে কিনা এ নিয়ে বিতর্কও দেখা দিয়েছিল। অথচ এই বিতর্ক এখন আনন্দ ও ঐতিহ্যে রূপ নিয়েছে। বাংলা একাডেমি আয়োজিত এবারের বইমেলা আয়োজনগত দিক দিয়ে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। এবার বইমেলার থিম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫২ থেকে ৭১। মেলা প্রাঙ্গণে এই থিম এর প্রকাশভঙ্গি বিশেষভাবে লক্ষ্যনীয়। যা প্রতিদিনই মেলায় আসা ক্রেতা-দর্শকের মনযোগ কাড়ছে। বইমেলার বানিজ্যিক অংশ বলে ইতিমধ্যেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশ পরিচিতি পেয়েছে। এই অংশে বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থার স্টল ও প্যাভিলিয়নের অঙ্গসজ্জা দেখে ক্রেতা-দর্শকেরা বেশ খুশি। বিশেষ করে কয়েকটি নামকরা প্রকাশনা সংস্থার নির্মিত প্যাভিলিয়ন আন্তর্জাতিক মানের হয়েছে বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন। মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে এবারও নির্মিত হয়েছে শিশু চত্বর। অন্যান্য বারের চেয়ে এবার এই চত্বরটি সেজেছে বেশ খোলামেলা ভাবেই।