Home এক্সক্লুসিভ কবরীর না বলা কথা

কবরীর না বলা কথা

SHARE
KObori-1

কম বয়সে ছেলেদের প্রচণ্ড ভয় পেতাম। জে এম সেন হাইস্কুলে সেভেনে উঠেই সিনেমা জগতে পা ফেলি। সবে দুধের দাঁত পড়েছে। সুতরাং ছবি দেখে দর্শক কবরীকে ‘পাশের বাড়ির মেয়েটির মতো আপনজন’ ও মিষ্টি মেয়ে বলে উপাধিও দেয়। মনের মধ্যে প্রেম প্রেম খেলা শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু ভয়ে মুখ খুলিনি। প্রেমের পরে কী হবে! আমি কী করব! কিছুই জানি না। প্রথমে প্রেম এরপর বিয়ে!
আমার কপালে প্রেমের সুখ কোনোদিন হয়নি। যাক আপদ চুকেছে। প্রেমে পড়ে কার না কার ঘরণী হতাম। তবে যা হবার তা তো হয়েছেই। সবার জীবন কী এক রকম হয়? এই পৃথিবী একটা যুদ্ধক্ষেত্র। যুদ্ধে কেউ জেতে কেউ হারেÑ মেনে নিতেই হয়। এভাবেই বুঝি জীবন কেটে যায়।
মানুষজন বড় হয়ে কত কী হতে চায়Ñ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, পাইলট, অভিনেতা, সাংবাদিক বা অন্য কিছু। ফিরিঙ্গী বাজারের মিনা পালের স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে সাদা শাড়ি পরে কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে স্কুলে মাস্টারি করবে। কিন্তু আমার জীবন যে একদম উল্টো। অ্যাকশন-কাট-লাইট-এনজি-ওকে। মানুষ মনে করে চলচ্চিত্রের নায়িকা না জানি কত সুখী হয়। ঘুমায়, শুটিং করে, দাসদাসী মাথায় তেল লাগায়, শ্যাম্পু করে, ঘরদোর পরিস্কার করে। তারা কিছুই করে না, শুধু মজার মজার খাবার খায় আর টাইম টু টাইম ঘুমায়। অসুখ হয় কি? না, তাও বোধ হয় না। মেকআপ করে ড্রেস পরে যখন ক্যামেরার সামনে দাঁড়ায় কী যে মোহনীয় লাগে।…
যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে। বাস্তব যে কত কঠিন অনেক মানুষের সে ধারণাই নেই। আমার মা খুবই ভালো রাঁধত। বিশেষ করে শর্ষে ইলিশ, পোস্ত পালঙ, শাক আলু, কই মাছ, ফুলকপি আলু, পাঁচমিশালী তরকারির নিরামিষ। উফ! যার কোনো জুড়ি নেই। রান্না আমারও প্যাশন। আমার বন্ধুদের আমার বাচ্চাদের জন্য আমি অত্যন্ত যত্ন নিয়ে মনের মাধুরী মিশিয়ে রান্না করি। তারা মজা করে বলে, ‘তোমার হাতে কি জাদু আছে?’
এই গুণ আমার মায়ের কাছ থেকে পাওয়া। মা অত্যন্ত সাংসারিক ছিলেন- নিরাভরণ জীবন তার পছন্দ। ‘মহাভারত’ পড়তে আগ্রহী, বন্ধুবৎসল, সুর করে পুঁথি পড়তেন। আমি কবরী হওয়ার পরও আমার মায়ের নতুন করে কোনো চাহিদা তৈরি হয়নি। কোনো পরিবর্তনও তার মধ্যে দেখিনি। ভাসা ভাসা চোখের চাহনিতে প্রকাশ করতেন অনেক না বলা কথা।
মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ আমার জীবনে অনন্য ঘটনা, অনন্য সময়। মুক্তির আনন্দ অন্যরকম। অনেক কষ্টে অর্জিত এই স্বাধীনতা। ভারত থেকে দেশে ফিরে আরেক বিড়ম্বনার শিকার হই। নিজস্ব কষ্ট থেকে কোনোমতে উতরানো যায়, কিন্তু সমষ্টিগত বাধা থেকে নিস্তার পাওয়া খুবই কঠিন। স্বাধীনতাযুদ্ধের পর নানাজনের সাথে কথা হতো, মেলামেশা হতো, কিন্তু রাজনৈতিক নেতাদের সাথে পরিচয় হয়ে ওঠেনি। কবরী হিসেবে আমাকে তারা চিনতেন, কিন্তু যাওয়া আসা তেমন ছিল না। শুধুমাত্র শ্রদ্ধেয় মালেক উকিল সাহেবের পরিবারের সাথে আমার ওঠাবসা। তাঁর মেয়ে বেবী, লিলি, মায়া ওদের সাথেই আমার অন্তরঙ্গ সম্পর্ক। আমি আর অভিনেত্রী রোজী সামাদ প্রায়ই মালেক ভাইয়ের পারিবারিক দাওয়াতে যেতাম।
বাংলাদেশ সৃষ্টির পরে ছবি আগের মতো আর সুবিধা করতে পারেনি। কিছু ভালো ছবি যে হয়নি তা নয়, কিংবা কিছু ছবি ভালো ব্যবসা করেনি তাও নয়। তবে পুরোনোদের অনেকের চলে যাওয়ায় এক ধরনের সিস্টেম লস হয়েছে। সে সময় যারা এই ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন, তারা একটা প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে আসতেন। স্বাধীনতার পর আনাড়ি কিছু লোকের হাতে সিনেমা শিল্পটি হালুয়া-রুটির ভাগবাটোয়ারায় পরিণত হয়। দিনে দিনে এর পরিণতি হলো করুণ থেকে করুণতর। এজন্য রাজনীতিও দায়ী। তাই যা হবার তাই হয়েছে, হচ্ছে। এখনো আমাদের পুরনো সিনেমাগুলো টিভি চ্যানেলে সম্প্রচারিত হলেও পরের ছবিগুলোর হদিস নেই। দর্শকনন্দিত হতে পারেনি সেগুলো। সোনালি জগৎ এখন ধূসর অতীত।
অনুপ সিং নামের এক সিনেমার পোকা ঋত্বিকদার ওপর তথ্যচিত্র বানাবে-‘তিতাস একটি নদীর নাম’কে ঘিরে। মূল ছবিটির শিল্পী আমি, রোজী, মোস্তফা ভাই, আরো অনেকে। যাকে যাকে পেয়েছে তাদের নিয়েই নির্মাণ করেছে সেটি। শমী কায়সার এই তথ্যচিত্রে কথক হিসেবে কাজ করেন। আমরা আরিচায় পুরোনো লোকেশনে গেলাম। পুরোনো সঙ্গীরা এক সাথে কাজ করার আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাই। তিতাস নির্মিত হয় সম্ভবত ৭৩ সালে। আর ‘নেম অব দ্য রিভার’ তথ্যচিত্রটি তার অনেক পরে। তথ্যচিত্রের শুটিং করতে গিয়ে বেকায়দায়ও পড়ি। যত রাতই হোক বাড়ি ফেরার কথা সবার। হঠাৎ বৃষ্টি নামায় আমাদের গাড়িগুলো লাল মাটির পিচ্ছিল কাদায় আটকে যায়। অগত্যা শুটিং শেষে গ্রাইে রাতযাপন। সাংবাদিক বন্ধু আখতারুজ্জামান অনেক খুঁজে একটা বাড়ি পেলেন। সেখানে মোটে একটা বিছানাপাতা চৌকি। পরিচালক থেকে ক্রু অনেক লোক আমরা। সবাই কষ্ট করলেন। আমরা পাঁচ মহিলা এক চৌকিতেই অর্ধেক শরীর ঠ্যাক দিয়ে গল্প করেই রাত কাবার করলাম। এতো কষ্ট করে বাসায় ফিরে প্রশ্নের মুখোমুখি- কেন রাতে থাকলাম? রাত বলে কথা। যেন দিনে কিছু হয় না। মেয়েদের জীবন ভারি অদ্ভুত। বিশ্বাসের জায়গায় মেয়েদের ঠাঁই করে নিতে হলে সৃষ্টিকর্তাকে নতুন করে ভাবতে হবে। সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে অন্য পুরুষের সাথে জড়িয়ে চরিত্র হনন। সত্যি কি মিথ্যা সে বিশ্লেষণও নেই। অথচ এর চাইতে বড় অপরাধও তো হতে পারে। বাবা, ভাই, স্বামী, পড়ন্তবেলায় সন্তান জবাবদিহিতার কাঠগড়ায় দাঁড় করায়। এমনকি ছেলেবন্ধু থাকলে তার কাছেও হার মানতে হয়। হায়রে মেয়ে মানুষ! অনুপ সিং যখন তথ্যচিত্রটির কথা পাড়েন তখন সদ্য মাকে হারিয়ে মন ভারাক্রান্ত। সম্মানী নিয়ে কোনো আলাপ হয়নি। আমরা পেশায় এতো নিবেদিত ছিলাম, টাকার কথার আগে গল্প, পরিচারক, চরিত্র নিয়ে ভাবতাম। কত কাজই তো টাকা ছাড়াই করেছি। আর এখন সিনেমা দূরে থাক, নাটকেও শিল্পী মেলে না টাকা দিয়েও। তারা পেশা ছাড়াও নানা কাজে ব্যস্ত। আগে বলা হতো ক্রিয়েটিভ পেশা, এখন এই পেশা সাইনবোর্ড সর্বস্ব।
১৯৭৪ সালে বনানীতে খুব সুন্দর একতলা বাড়ি ভাড়া নেই। নিজের বাড়ির স্বপ্ন ছিল না। খুব কম বয়সে কাজ শুরু করায় হয়তো সম্পদপ্রীতি কম ছিল। রাজ্জাক, ফারুক, আলমগীর, জাফর ইকবাল, মাসুদ পারভেজ, উজ্জ্বল, কায়েস, আনন্দ, সিডনী এই কয়জনার সাথে একচেটিয়া কাজ করতাম আমি। নতুন হিরোর সাথে কাজ করার সময় আমি অনেক দুষ্টুমি করেছি। অনেক হিরোকে পছন্দ হতো না। কী করব, আমার ইচ্ছায় তো সব হবে না। তবে নাজেহাল করার দুষ্টুবুদ্ধি আঁটতাম। নতুনরা তো আমাকে দেখে প্রথমে খুব ঘাবড়ে যেত। তখনো কিন্তু কোনো কান্ড ঘটাইনি। প্রথম শট হিরো এসে দাঁড়াবে। হেসে বলবে, ‘চলো ডিয়ার আমরা ঘুরে আসি’। আমি বলব, ‘না আমি যাব না’। আমি একটু থেমে বলব, ‘এখন না পরে।’ মাতব্বর নতুন হিরো ডায়লগের মাঝখানে বলে উঠল, ‘আপনি তো পরের সংলাপ বললেন না।’ কাট কাট। পরিচালক নয়া মিয়াকে দিলেন ধমক। আমি তো প্রচন্ড রেগেছি। তারপর প্রেমে গদগদ ভাব নিয়ে নায়কের চোখের দিকে তাকানোর ক্লোজআপ শট। …অ্যাকশন। আমি চোখ দুটো গোলগোল করে ট্যারা বানিয়ে হিরোর দিকে তাকালাম। লোকটা আমার এক্সপ্রেশন দেখে প্রেমের বদলে ভয়ে কান্নার এক্সপ্রেশন দিচ্ছে। পরিচালক তো অবাক। হাসি চেপে আমিও জিজ্ঞেস করি ‘কী হয়েছে?’ সে তো চুপ।
দেখতে দেখতে বাচ্চারা বড় হয়ে গেল। বাচ্চারা ছোট থাকতেই বেশি কাজ করা যায়। মুক্তিযুদ্ধের আগে আমার দ্বিতীয় ছবি ‘বাহানা’র সময় এটি ছিল উর্দু ছবি, পাকিস্তানের করাচি শহরে শুটিং হয়েছিল। আমি এক সন্তানের মা। আমার বাচ্চাকে আমি এক বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাইয়েছি। অনেক পেশাজীবী মা বিশেষ করে গ্ল্যামার জগতের নারীরা বাচ্চাদের ব্রেস্ট ফিড করায় না। তাদের ভয় পাছে সৌন্দর্য নষ্ট হয়। কিন্তু বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো, মেধার বিকাশ ঘটানো এসব ছাড়াও মা ও সন্তানের মাঝে সেতুবন্ধ গভীর করে এটা। সন্তান বলে কথাÑ বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে।
আমার পাঁচ মানিক অঞ্জন (বাবুনী), রিজওয়ান (মন্টি), শাকের, জয়নাল (চিশতি) ও শান। আমার বাচ্চারা আর আমি রচনা করেছি এক স্বর্গলোক। ওরা যখন ছোট ছিল তখন আমিও ছোট্টটি হয়ে ওদের সাথে চোর-পুলিশ খেলতাম, পিস্তল দিয়ে খেলতাম বিশেষ করে বড় দুটি বাবুনী, মন্টির সাথে। মনেই হতো না আমি ওদের মা। বড় হওয়ার পর তাদের সাথে বন্ধুত্ব আরো প্রগাঢ় হয়। আমার বড় দুই ছেলে রিজওয়ান আর অঞ্জন ও-লেভেল দিয়ে আমেরিকায় পড়তে যায়। যুদ্ধের আগে ওরা খুব ছোট ছিল। আমিও ছোট ছিলাম। আমি শুটিং নিয়ে প্রচন্ড ব্যস্ত থাকতাম জনপ্রিয়তা যেমন তুঙ্গে, কাজের চাপও মারাত্মক। বাবুনী আমেরিকান স্কুলে পড়ত, মন্টি ব্রিটিশ এক কিন্ডারগার্টেনে। দুজনই খুব মেধাবী। আমার মা আমার দুই বাচ্চাকে দেখাশোনা করতেন। বাবুনী, মন্টির মতো জয়নালও ও-লেভেল পাস করে আমেরিকায় পড়তে যায়। শাকের ইংল্যান্ডে অক্সফোর্ড ব্রুক্স থেকে, জয়নাল বোস্টন নর্থ ইস্টার্ন থেকে গ্র্যাজুয়েশন করে। মন্টি নিউইয়র্কে, বাবুনী লস এঞ্জেলেসে, শান কানাডায় গ্রিন উড স্কুলে পড়ত। চিশতি আমেরিকান কলেজের সর্বোচ্চ সম্মান ‘ম্যাগনা কাম লাড’ পেয়ে গ্র্যাজুয়েশন করে। আমার মা-ছেলেরা খেলতে খেলতে কখন যে বড় হয়ে গেলাম বুঝিইনি।


ফ্ল্যাশব্যাক
পেয়ারা গাছের ডালে এক পা দু পা করে উঠছি। ছোট পেয়ারা, বড় পেয়ারা, ডাঁসা পেয়ারা ডালে ডালে ঝুলছে। কোনটা ছেড়ে কোনটা নেব। হাত দুটি আকুলি বিকুলি করছে। হঠাৎ চোখে পড়ল পাকা একটা পেয়ারা পাতার নিচে লুকিয়ে আছে। হুম। আমার হাত থেকে রক্ষে নেই। হালকা বাতাস বইছে। গাছে মৃদু দুলুনি। এক হাত দিয়ে ছোট একটা ডাল ধরেছি, আরেক হাতে পাতা সরিয়ে হাত বাড়িয়েছি, এই… এই তো… পেয়ারাটি ধরেই ফেলেছি প্রায়…।
ধপাস!
ডাল ভেঙে পায়ে শাড়ি জড়িয়ে এক্কেবারে মাটিতে। প্রথমে বুঝতে পারিনি, পরে দেখি হাঁটুর নিচে চামড়া ছিলে রক্ত ঝরছে। ব্যথা করছে। কিন্তু ভয়ে জোরেশোরে কাঁদতেও পারছি না।
‘সুতরাং’ ছবির প্রথম দিনের প্রথম শট ধারণের কাজ চলছে। আউটডোর। গুলশান পার্ক। চারদিকে আম, কাঁঠাল, পেয়ারা গাছে ভরা। আমার প্রথম সিনেমা। শট ধারণের জন্য ক্যামেরা তখন আমার পায়ে ফোকাস করা।
ক্যামেরাম্যান কিউ এস জামানের সঙ্গে সুভ্ষা দত্ত ছুটে এলেন। তিনি এ ছবির পরিচালক, নায়কও। অবস্থা দেখে এক মুঠো ঘাস কচলিয়ে আমার শাড়ি সরিয়ে পায়ে লাগাতে গেলেন। আমি কিছুতেই শাড়ি ওঠাতে দিচ্ছি না। ঠাস করে চড় মারলেন আমাকে। অপমানে ব্যথায় ভ্যা করে কেঁদে দিলাম।
শুটিং শেষে সবাই খুব আদর করল, বলল, শটটা সুন্দর হয়েছে। দত্ত দাদা জিজ্ঞেস করলেন, ‘অ্যাই, খুব লেগেছে?’ এমন আদুরে কথায় নতুন করে অভিমানে গলা ভার হয়ে ওঠে। চোখে জল ছলছল। আস্তে আস্তে মাথা নেড়ে জানালাম ‘হ্যাঁ, খুব লেগেছে।’ দত্তদা কাছে টেনে মাথায় আদর করে দিলেন। বললেন, ‘দূর পাগলি! কাঁদতে হয় নাকি! কত ব্যথাই তো আমরা পাই, কিন্তু একটুও কাঁদি না। সিনেমায় অভিনয় করতে সছো, অনেক কষ্ট করতে হবে। তা না হলে আম হবে কেমন করে?’
তখন সিনেমা বলতে বুঝতাম সাংঘাতিক একটা ব্যাপার। স্কুলে পড়া, টুকটাক নাচ ছাড়া আর কিছুই বুঝতাম না।আলো ঝলমল ঢাকা শহর, মিনার চোখে স্বপ্ন। সুতরাং দিয়ে বাংলার মানুষের মনে এক চিলতে ঠাই করে নেওয়ার জন্য অনেক পরিশ্রম, অনেক সংগ্রাম। কত নতুন কিছু বুঝতে হবে, জানতে হবে, শিখতে হবে। নিজেকে তৈরি করতে হবে। এক হাজার এগারো টাকা পুজি নিয়ে বাংলার এগারো কোটি মানুষের হৃদয়ের দখল নেয়া ছিল অনেক কঠিন কাজ।