SHARE
অভিনেতা অপূর্ব ও তার সাবেক স্ত্রী নাজিয়া এবং সন্তান আয়াশ। ছবি: সংগৃহীত

আলোচিত অভিনেত্রী প্রভার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর ২০১১ সালে নাজিয়া হাসান অদিতির সঙ্গে ছোট পর্দার জনপ্রিয় এই নায়ক জিয়াউল ফারুক অপূর্ব বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। চলতি বছরের শুরুতে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে অপূর্ব-নাজিয়ার। কয়েক মাস ধরে তারা আলাদা থাকছেন। বিষয়টি এতদিন গোপন ছিল। কিন্তু নাজিয়ার সাম্প্রতিক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বিষয়টি আলোচনায় আসে। খোঁজ নিয়ে এর সত্যতা পাওয়া গেল।

নাজিয়া হাসান অদিতি জনান, ‘আলোচনার মধ্য দিয়েই আমরা আলাদা হয়েছি। এর বেশি কিছুই বলতে চাই না এখন।’

এতদিন শোবিজের সুখী দম্পতি হিসেবে উচ্চারিত হতো তাদের নাম। অপূর্ব সুযোগ হলেই স্ত্রীকে নিয়ে হাজির হতেন নানা অনুষ্ঠানে। সেই সুখী দাম্পত্য তছনছ হয়ে গেল সন্দেহের ঝড়ে। আদর্শ দম্পতি হিসেবে পরিচিত এই জুটির হঠাৎ বিচ্ছেদের খবরে বিস্মিত শোবিজের অনেক মানুষ। কেন ভাঙলো তাদের সংসার? এই প্রশ্ন উঠছে?।

এদিকে বিচ্ছেদের ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটে আছেন অপূর্ব ও অদিতি। তারা কেউই এ নিয়ে মুখ খুলছেন না। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, তাদের সম্পর্ক ভাঙনের শুরু গেল বছরের শেষদিকেই। দুই একজন অভিনেত্রীর সঙ্গে অপূর্বর ঘনিষ্ঠতা মেনে নিতে পারেননি অদিতি। এছাড়াও এ নায়ক নাকি পরকীয়ায় জড়িয়েছেন বলে সন্দেহ করেন তার স্ত্রী। এ নিয়ে মনোমালিন্য চলতে থাকে দুজনের।

অপূর্ব অনেক চেষ্টা করেন স্ত্রীকে বোঝাতে। তিনি ওইসব অভিনেত্রীদের দিয়েও অদিতির সঙ্গে নাকি কথা বলিয়েছিলেন। তাতে লাভ কিছু হয়নি। শুধু তাই নয়, অপূর্ব তার স্ত্রীর গল্প দিয়ে বেশ কিছু নাটক তৈরি করে তাতে অভিনয় করে স্ত্রীকেও শোবিজে পরিচিত করে তোলার চেষ্টা করেন। স্ত্রীর মনের সন্দেহ দূর করার চেষ্টা করেন।

অপূর্ব-অদিতির ঘরে জায়ান ফারুক আয়াশ নামে এক পুত্র রয়েছে। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদে ছেলে কার সঙ্গে থাকবে সে ব্যাপারে জানা যাবে তারা মুখ খোলার পর। এ বিচ্ছেদের ফলে তাদের ৯ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটলো।