Home আরোও বিভাগ সাইবার সিকিউরিটির যে সব মেজরস আছে সেগুলো আপগ্রেড করতে হবে

সাইবার সিকিউরিটির যে সব মেজরস আছে সেগুলো আপগ্রেড করতে হবে

SHARE
Arfan-ali

আরফান আলী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড

আনন্দ আলো: আপনাদের এজেন্ট ব্যাংকিংটা বেশ পপুলার হয়েছে। এক্ষেত্রে সম্ভাবনা কেমন দেখছেন?

আরফান আলী: এজেন্ট ব্যাংকিং এর বিষয়টি আমাদের দেশে সাম্প্রতিক এবং ৪/৫ বছর হলো এর কাজ শুরু হয়েছে। ব্যাংক এশিয়া এজেন্ট ব্যাংকিং এ পাইওনিয়ার। এরপরে অন্যান্য ১৮টি ব্যাংক এখন একই সাথে কাজ করছে। কেন এজেন্ট ব্যাংকিং এর প্রয়োজন পড়লো? এই জায়গায় যদি বলি একটু যে, ইট কাঠের দেয়ালের যে একটা ব্র্যাঞ্চ তৈরী করে রুরাল এলাকায় সার্ভিস দিতে হয় এবং সেখান থেকে যে রিটার্ন আসে কমার্শিয়ালি সেই রিটার্নটা ভায়াব্যাল হয় না। কস্টটা উঠে আসে না। সুতরাং প্রয়োজন পড়েছে যে কিভাবে একটা ভায়াব্যাল মডেল তৈরী করা যায়? এজেন্ট ব্যাংকিং বেসিক্যালি একটি বিজনেস মডেল। প্রচলিত ধারনা চেঞ্জ করে ব্যাংকিং সার্ভিসটাকে কিভাবে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া যায় এমনই একটা বিষয়। সেখানে পার্টনারশীপ বিল্ড করে যারা লোকাল এন্টারপ্রেনার আছেন এবং যারা লেখাপড়া জানেন তাদের সাথে ব্যাংক একটা চুক্তিবদ্ধ হয়ে ব্যাংকিং সার্ভিসটাকে নিয়ে গেছে একেবারে ইউনিয়ন পর্যায়ে, গ্রাম পর্যায়ে এবং বাজার পর্যায়ে। এতে করে সুবিধা হলো স্থানীয় লোকজন যারা একসময় ব্যাংকিং সেবার আওতার বাইরে ছিল তারা এখন এই সেবার ভেতরে চলে আসছে। এই পার্টনারশীপ ইজ ভেরি ইম্প্যাটেন্ট। বর্তমান দুনিয়া হলো কোলাবরেটিং ওয়ার্ল্ড। এখন যতো পারটনারশীপ বিল্ড করা যাবে ততোই বেনিফিট পৌছে দেওয়া যাবে আল্টিমেট কনজ্যুমারের কাছে। আপনি জেনে খুশি হবেন, বাংলাদেশের যে বিজনেস মডেল এখানে কিন্তু সব ধরণের ব্যাংকিং সেবা, একটা ব্র্যাঞ্চে গিয়ে যে ধরণের ব্যাংকিং সেবা আপনি আশা করতে পারেন ঠিক একই সেবা আপনি পাবেন এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে। শুধু মাত্র ট্রানজেকশনের কিছু লিমিট আছে।

আনন্দ আলো: এজেন্ট হিসেবে যারা কাজ করেন তাদের কোন ষ্পেশাল ট্রেনিং বা তাদের বিশ্বাস যোগ্যতার ব্যাপারে জনমনে কোন সন্দেহ বা ভয়ের কারণ আছে কিনা?

আরফান আলী: এজেন্টদেরকে আমরা ব্যাংকিং সম্বন্ধে ট্রেনিং দেই তাদেরকে ম্যানুয়াল সাপ্লাই করি যাতে তারা বোঝে যে, কিভাবে ব্যাংকিং সেবা দিতে হবে? তাছাড়া আমাদের অফিসাররাও সেখানে কাজ করেন। এখানে একটু চেঞ্জ এনেছি অন্যান্য দেশের তুলনায় ভিন্নতা এনেছি এখানে আমরা। জনগণের মনের মধ্যে সন্দেহ থাকতেই পারে? ব্যাংকিং ট্রানজেকশন কনফিডেন্স লেভেল হাই না হলে কেউ ব্যাংকিংয়ে আসতে চায় না। আমরা যেটা তৈরী করেছি সেটি হলো-লুক এন্ড ফিল অফ এ ব্র্যাঞ্চ। এজেন্ট বুথটা দেখতে একটা ব্র্যাঞ্চের মতোই হয় ছোট আকারে যারা ফলে লোকজনের বিশ্বস্ততা ওখানে আসে এবং আমরা সব সময়ই মনিটরিং করি। যেহেতেু এটি সেন্ট্রালাইজড ব্যাংকিংয়ের একটা অংশ। সুতরাং আমরা মনিটর করি যাতে কোন ধরণের দূঘটনা যাতে না ঘটে।

আনন্দ আলো: এটি সেন্ট্রালাইজড ব্যাংকিংয়ের ডাটাবেজ সিষ্টেমের সাথে কি যুক্ত?

আরফান আলী: জ্বি। এক সাথে। এভরি ট্রানজেকশন ইজ রেকর্ডেড এবং অনলাইন। এটার জন্যে সুবিধা হয়েছে আমরা কাষ্টমারদের চাওয়া পাওয়া বুঝতে পারি?

আনন্দ আলো: আপনাদের এসএমই বা মাইক্রো ফাইন্যান্সে যে সাকসেস তার মেইন রিজন কি এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের কারণে?

আরফান আলী: ইট ইজ টু আর্লি। তবে এজেন্ট ব্যাংকিং এই গ্রোথটাকে অনেক দূর নিয়ে যাবে। যদি কৃষি লোনের কথাই যদি বলি- ক্ষুদ্র কৃষি ঋণ ৫০ হাজার বা ১ লাখ টাকা। একটাই অল্টারনেটিভ সেটি হলো সরকারের ব্যাংক। অথবা যেতে হবে একেবারে এনজিও অথবা প্রাইভেট লেন্ডারদের কাছে। এখন কিন্তু তারা ব্যাংকে আসতে পারছেন। এজেন্ট সুবিধার ফলে এই সুযোগ তৈরী হয়েছে এবং আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, আমাদের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের যে ক্রেডিট এক্সটেনশন এটি মোষ্টলি মাইক্রো এগ্রিকালচার এবং এসএমই’তে। আমরা বড় লোন সেখান থেকে স্যাংশন করছি না। সবই ষ্মল এবং মিডিয়াম লোন দেই।

আনন্দ আলো: ই ফান্ড ট্রান্সফার বা ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের অনেক ঝুঁকিও আছে। এই ক্ষেত্রে আমাদের ব্যাংকিং সেক্টরে কি উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে?

আরফান আলী: আমরা ব্যাংকিংয়ের থ্রেড বলতে যদি সাইবার সিকিউরিটি রিলেটেড বুঝি- উই আর গোয়িং অনলাইন উই আর গোয়িং ডিজিটাল… সেখানে কিন্তু ভয়ের ব্যাপারে থাকে যে ব্যাংকিং লেজার বা ফিজিক্যালি বাউন্ডারিজ থাকে তাহলে এটা সম্ভব হয় না। বাট হোয়েন ইউ ওয়ান্ট ওপেন টু দ্যা ওয়ার্ল্ড সেখানে সব ধরণের হ্যাকিংয়ের সুযোগই তৈরী হয়। এখানে ব্যাংকগুলোর দায়িত্ব হলো কোলাবরেট করা। সেন্ট্রালি আমরা যদি ইনভেষ্টমেন্ট করে সাইবার সিকিউরিটির উপরে যদি জোর দেই তাহলে সমস্যা থাকবে না।

আনন্দ আলো: সেন্টালি বলতে কি সেন্ট্রাল ব্যাংক?

আরফান আলী: সেন্ট্রাল ব্যাংক আসতে পারে এটার সাথে পাইওনিয়ারিং করতে পারে- বিকজ ইনভেষ্টমেন্ট ইজ ভেরি হাই- এটা বুঝতে হবে। কান্ট্রি অ্যাজ এ হোল আমরা কিন্তু ইনসুলেট করতে পারি। সরকার কিন্তু এর উপরে কাজ করছে অলরেডি এবং আমরা কিন্তু ম্যাসেজ পাই যে, এই জায়গায় ব্যাংকগুলো উপরে আক্রমন আসছে। সুতরাং আমরা সবাই মিলে যদি একত্রে কাজ করি তাহলে এই সাইবার সিকিউরিটিটাকে কান্ট্রি অ্যাজ এর হোল আমরা এগিয়ে দিতে পারি। এখানে সবগুলো ব্যাংক, সরকারি এজেন্সিস একসাথে কাজ করবে।