Home এক্সক্লুসিভ সবার কপালে ইমেজ জোটে না-অপূর্ব

সবার কপালে ইমেজ জোটে না-অপূর্ব

SHARE
Apurbo

উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ৩ নম্বর রোডের একটি বাড়ি। এই বাড়িকে ঘিরে মানুষের বেশ ভিড় লক্ষ্য করা গেলো। বাড়ির গেটে যেতেই দেখা মিললো এই সময়ে টিভি নাটকে ব্যাপক জনপ্রিয় তারকা অপূর্বকে। বুঝতে বাকি রইলো না- লোকজনের ভীড়ের কারণ কি? ভীড় ঠেলে বাড়ির ভেতর যেতেই দেখা গেল অপূর্বকে কিছুটা অফ মুডে। নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘কাঁচের পুতুল’ নিয়ে পরিচালক হিমেল আশরাফের সাথে কিছু দৃশ্যের বিষয়ে কথা বলছেন। যেখানে নিজের চরিত্র এবং সেই চরিত্রের সাথে অপূর্বকে উপস্থাপনের বিষয় নিয়ে কথা বলছেন দুজন। দুজনের আলোচনার এক পর্যায়ে দৃশ্যটি নেয়ার জন্য পুরো সেট রেডি হয়ে গেল। এই সময়ে টেলিভিশন নাটকের সবচেয়ে আলোচিত অভিনেতা অপূর্ব। ‘বড় ছেলে’, ‘ব্যাচ ২৭- দ্য লাস্ট পেজ’, ‘চেয়েছি তোমায়’, ‘ইচ্ছে তাই’, ‘বলা হলো না’, ‘দ্য হিরো’, ‘গল্পটা তোমারই’, ‘না বলা ডায়রি’, ‘জলে তার ছায়া’, ‘ওয়ান্স’, ‘আদিত্যের মৌনতা’, ‘বিনি সুঁতার টান’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় নাটকে অপূর্বকে ভিন্ন সব চরিত্রে তার ভক্তরা আবিস্কার করেছেন। গত দুই ঈদে প্রচারিত অনেকগুলো নাটক-টেলিছবিতে অভিনয় করে বেশ আলোচনায় আসেন অপূর্ব। ক্যারিয়ারে এক যুগেরও বেশি সময় পার করেছেন তিনি। উত্তরার শুটিং স্পটে বসে অপূর্ব তার ক্যারিয়ার এবং ভবিষ্যত নানান বিষয়ে আনন্দ আলো’র সঙ্গে বলেছেন অনেক কথা। লিখেছেন সৈয়দ ইকবাল

আনন্দ আলো: অনেক দিন পর ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করছেন…
অপূর্ব: হ্যাঁ। এটি নতুন সিরিয়াল ‘কাঁচের পুতুল’। মেজবাহ উদ্দিন সুমনের রচনায় এটি পরিচালনা করছেন হিমেল আশরাফ। নাটকের গল্প বেশ মজার। আমার চরিত্রটিও একটু অন্যরকম। আনন্দ পাচ্ছি কাজটা করে।
আনন্দ আলো: একটি দৃশ্যের শুটিংয়ের আগে দেখলাম- কিছু বিষয়ে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে…
অপূর্ব: আসলে এই নাটকে যে ছেলেটির চরিত্রে আমি অভিনয় করছি সেই চরিত্রের সাথে রুমটা ঠিক মানান সই হচ্ছে না। আমার জায়গা থেকে বিষয়টি নিয়ে পরিচালক হিমেল আশরাফের সাথে কথা বলেছি। আসলে আমরা যারা অভিনয় করি, যারা স্ক্রিপ্ট লিখেন, যারা নির্মাণ করেন- সবাই যদি সবার জায়গা থেকে সবকিছু নিয়ে আলোচনা করে তাহলেই কিন্তু একটা ভালো কাজ হয়। কারো একার পক্ষে কিন্তু ভালো করা সম্ভব না।
আনন্দ আলো: আপনি কি এভাবেই সব নাটকেই নিজের অভিনীত চরিত্র কিংবা আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন?
অপূর্ব: আমার জায়গা থেকে যে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করার প্রয়োজন মনে করি, সেটা করি। নিজের অভিনীত চরিত্র, কস্টিউম, লোকেশন কিংবা গল্পের লজিক-ই লজিকের জায়গা নিয়ে কথা বলি। কারণ একজন অভিনেতা যখন ক্যামেরার সামনে দাঁড়ায় তখন সে ঐ চরিত্রটির রূপ ধারণ করে। ফলে সেখানে প্রত্যেকটা বিষয়ই পারফেক্ট হওয়া প্রয়োজন। অনেক নাটকের গল্পে এবং চরিত্রের বিষয়গুলো ঠিক ছিলো না মনে হওয়ায় তা নিয়ে পরিচালক এবং টীমের সবাই মিলে আলোচনা করে তা ঠিক করে নিয়েছি। দিন শেষে তো দর্শকদের জন্যই কাজটা করি, তাই দর্শকদের কাছে যেনো সেটা গ্রহণযোগ্যতা পায় সেটার দিকে আমাদের সবার নজর রাখা উচিত।
আনন্দ আলো: ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে শুরুর দিনগুলোর কথা কি মনে পড়ে?
অপূর্ব: দিব্যি মনে পড়ে। আমি এমন একজন মানুষ জীবনের কোনো ঘটনাই ভুলি না। সেটা হোক নেতিবাচক কিংবা ইতিবাচক। আমি যখন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ছিলাম। তখন থেকেই খুব পরিপাটি হয়ে চলাফেরা করি। কানে দুল পরি। সব মিলিয়ে একটু স্টাইলিশ-ই ছিলাম বলা যায়। একদিন বন্ধুরা মিলে পুরান ঢাকায় এক ফ্রেন্ডের বাসায় ইফতারির দাওয়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে একটা ম্যাগাজিন দেখছিলাম, যেখানে ইউ গট দ্যা লুকের বিজ্ঞাপন ছিলো। সেটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম অনেকক্ষণ। বন্ধুরা মিলে সবাই আলোচনা করছিল, কে কি করবে, ভবষ্যৎ পরিকল্পনা কী ইত্যাদি, ইত্যাদি… আমি ঠিক ঐ মুহূর্তে ঐ বিজ্ঞাপনটা দেখে বন্ধুদের বলেছিলাম মডেলিং করবো। কেন বলেছিলাম- ঐ কথাটা, সেটা বুঝি নাই। পরবর্তীতে আমি সেখানে যোগ দেই। কিন্তু আমার কাছে যখন ফোন আসে তখন নিজেই অবাক হই। তারপর তো অডিশন দেই, একটার পর একটা স্টেজ পার হয়ে যাই। সব মিলিয়ে আজকের এই পর্যায়ে কিভাবে যে চলে এলাম ভাবলে এখনও অবাক লাগে।
আনন্দ আলো: কখনো কি অভিনেতা হওয়ার ইচ্ছা মনের মধ্যো ছিলো?
অপূর্ব: ভবিষ্যত নিয়ে আমার কখনোই খুব বেশি প্ল্যান ছিল না। অনেকের যেমন একটা গোল সেট করা থাকে… এই জায়গায় যাবে, ঐ জায়গায় যাবে, এটা নিয়ে ক্যারিয়ার গড়বে… আমার বেলায় এমন ছিলো না কখনোই বিষয়টা। বরং, আমার মধ্যে বিষয়টা এমন ছিলো যে, কিছু একটা হবে। সেটা কখন হবে, কিভাবে হবে তা চিন্তা করিনি। তবে বিশ্বাস ছিলো ভালো কিছু একটা হবে। এটা যে খুব ওভার কনফিডেন্ট থেকে মনে হয়েছে তা নয়, তবে একটু হলেও কনফিডেন্স ছিলো। এই আত্মবিশ্বাস নিয়েই আমি এগিয়ে যাচ্ছি এখনো। মডেলিং শুরু করার আগে বন্ধুরা সবাই মিলে দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য দৌঁড়ঝাপ শুরু করে। আমাকে কেউ কেউ বলেছিল দেশের বাইরে যেতে। বন্ধুরা কেউ ইতালি, কেউ লন্ডন আবার কেউবা অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছে। আমার পরিবার থেকেও বলা হয়েছিল বিদেশে চলে যেতে। কিন্তু কেনো জানি নিজের ভেতর একটা আত্মবিশ্বাস ছিল আর এই শহরের মায়াটা ছাড়তে পারিনি। আমি বিশ্বাস করি- যে কাজটাই করি না কেনো- সেটা হার্ডলি করলে কামিয়াব হবোই। আর কোথাও যাইনি বলেই হয়তো এখন মানুষের ভালোবাসার অপূর্ব হয়েছি। মাঝে মাঝে ভাবি- ভালোই তো আছি। বরং কোনো অফিসে চাকরি করলে একই ডেস্ক, একই জানালা দিয়ে এই শহরটাকে দেখতে হতো। এখন নানান চরিত্রে নিজেকে দেখতে পাই। হাজার হাজার মানুষের ভালোবাসা পাচ্ছি। এই তো বেশ আছি… হা হা হা।
আনন্দ আলো: আপনার ছেলে আয়াসও তো এখন অনেক বড় তারকা…
অপূর্ব: ওরে বাবা…। তার অনেক ফ্যান এখন। আমাকে আজকাল কেউ ভালো আছেন জিজ্ঞাসা করার সাথে সাথেই জানতে চান আয়াস কেমন আছে? তখন আসলে চিন্তা করি ওর জনপ্রিয়তাটা কেমন হয়েছে। বাবা হিসেবে এই বিষয়টা আমার অনেক ভালো লাগে। একটিমাত্র নাটকে অভিনয় করে মানুষের মনে ভালোভাবেই দাগ কেটেছে সে। আসলে নাটকের গল্প এবং মেকিংটা অনেক বড় একটা বিষয়। ‘বিনি সুঁতার টান’ নাটকটি মানুষের খুব ভালো লেগেছে। ছেলেটাকে নিয়েই তো গল্প। বাস্তবতার আলোকে জীবনের কোনো অংশের গল্প বলা হলে সেটা মানুষ তা গ্রহণ করবেই। ঐ নাটকের পর আয়াসকে নিয়ে অনেকেই আরো কাজ করতে চেয়েছে। কিন্তু আমার মনে হচ্ছে এখুনি নিয়মিত ওকে দিয়ে অভিনয় করানো ঠিক হবে না।
আনন্দ আলো: মধ্যবিত্ত পরিবারের চরিত্রগুলোর সাথে আপনি একদম মিশে গিয়ে অভিনয় করেন। কিভাবে সম্ভব?
অপূর্ব: আমাদের টেলিভিশন নাটকের বেশিরভাগ দর্শক কিন্তু মধ্যবিত্ত। যখন একটি ফিকশন কিংবা চলচ্চিত্র মানুষের জীবনের কোনো না কোনো ঘটনার সাথে মিশে যায় তখনই সেটা তাদের গল্প হয়ে ওঠে। আমার অভিনীত ‘বড়ছেলে’ নাটকটি এতো হিট হওয়ার পেছনে ঐ কারনটাই ছিলো। এরকম গল্প হাজার হাজার মানুষের জীবনে রয়েছে। স্ট্রাগল করা প্রত্যেকটি মানুষের জীবনে এই গল্প থাকার ফলে যখন নাটকে বিষয়টা মিলে যায় তখনই তাদের নাটকটি ভালো লাগে। তাই আমাদের উচিত মানুষের জীবনের গল্পগুলো দিয়ে নাটক বানানো।
আনন্দ আলো: আপনাকে সবসময় রোমান্টিক চরিত্রেই অভিনয় করতে দেখা যায়…
অপূর্ব: দেখুন, আমি দর্শকের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করছি এখন। আমি এক অপূর্ব যদি সব ধরনের চরিত্র করি, তাহলে কিভাবে হবে? সবার কপালে ইমেজ জোটেনা। দর্শকই তার প্রিয় শিল্পীকে আলাদা করে ফেলে। ও অপূর্ব! তাকে এভাবে দেখা যাবে, এইরকম একটা ব্যাপার থাকে আমার বেলায়। আমি এটা অনেকভাবেই ট্রাই করে দেখেছি। এভাবেই আমার একটি ইমেজ তৈরি হয়েছে। নির্মাতারা এসে যখন বলেন, ভাই, এই চরিত্রটা আপনি ছাড়া আর কাউকে দিয়ে হবে না, তখন আমি গর্ববোধ করি এই ভেবে যে, যাক, তাহলে আমার একটা বিশেষত্ব তৈরি হয়েছে! আমি কি সব চরিত্রে অভিনয়ের ব্যাপারে স্পোশালিস্ট? নিশ্চয়ই নই! টো নিয়ে আমার আসলে কোনো মাথা ব্যাথাও নেই। আমি মনেকরি- আমাকে যে ধরনের চরিত্রে মানাবে সেটাতেই আমি কাজ করবো। আর ব্যক্তি জীবনেও আমি মানুষটা সবসময় একই রকম থাকতে বেশি পছন্দ করি। অনেকেই আমাকে বলেন- আমি সেই আগের মতোই একটা টিশার্ট আর জিন্স পরি। কোনো পরিবর্তন নেই। আমি আসলে এমনই। খুব বেশি এক্সপেরিমেন্ট আমি করি না। সেটা পছন্দও নয়।
আনন্দ আলো: একান্ত সময়ের কথা বলবেন-
Apurbo-Natokঅপূর্ব: সারাদিন শুটিং শেষে যখন বাসায় যাই, তখন কিন্তু আট-দশজন মানুষেই মতোই হয়ে যাই। আমি বাইরের কোনো স্ট্রেস কিংবা কোনো ঝামেলার কথা পরিবারের সাথে শেয়ার করে তাদেরকে চিন্তায় ফেলতে পছন্দ করিনা। আমার সমস্যাগুলো আমি নিজেই সমাধান করার চেষ্টা করি। আমি বাসায় যাওয়ার পর আমার স্ত্রী অদিতি আর আয়াসকে নিয়ে ব্যস্ত থাকি। তারাও আমার জন্য অপেক্ষায় থাকে। মূলত বাসায় যাওয়ার পরই সকল আড্ডা, গল্প আর সিনেমা দেখা শুরু হয়। আমি খুব আড্ডাপ্রিয় একজন মানুষ। ছাত্র জীবন থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত সময় পেলেই আড্ডা দেই। তবে এখনকার আড্ডাটা হয়তো কাজ কেন্দ্রিক বেশি হয়। তারপরও আমি একটু সময় পেলে পরিবার আর আমার সন্তানের সাথে আড্ডা দেই। আমি খুব মুভি দেখি। একসময় রাত জেগে প্রচুর মুভি দেখতাম। বইও পড়তাম। তবে এখনকার সময়ে এসে সেই সময়টা একেবারেই কম পাই। তারপরও সুযোগ পেলেই বই পড়ি আর মুভি দেখি। পরিবারের সাথে সময় কাটাতে বেশ ভালো লাগে।
আনন্দ আলো: নিজের কোনো গুণের কথা বলবেন-
অপূর্ব: আমি খুবই মিশুক। সহজেই সবার সাথে আড্ডা দেয়া এবং কথা বলতে পছন্দ করি। আমি মিথ্যা কথা বলি না। মুখের উপর সত্যটা বলে দেই। সেটা যে মানুষই হোক না কেনো। কারো সাথে কোনো ঝামেলা হলে খুব বেশিদিন সেটা মাথায় রাখি না।
আনন্দ আলো: আপনার দোষের কথা…
অপূর্ব: আমি খুব রাগি একটা ছেলে। রাগ উঠলে আমি অনেক কথা বলে ফেলি। তবে আমার রাগ খুব বেশি সময় থাকে না। রাগের স্থায়িত্ব হয়তো সর্বোচ্চ ১০ মিনিট থাকে। আমি মনে করি- মাথার মধ্যে যতো ঝামেলা সৃষ্টি করা হবে ততোই ক্ষতি নিজের হবে। তাই আমি সবসময় ঝামেলা জাতীয় বিষয় মাথা থেকে বের করে ফেলি। আমার স্ত্রীর সাথে কোনো বিষয়ে রাগারাগি হলেও সেটাকে বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেই না। এতে করে সহজেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়।
আনন্দ আলো: আপনি নিজে নাটক পরিচলনাও করেছেন। ভবিষ্যতে কী পরিচালনায় নিয়মিত হবেন?
অপূর্ব: ডিরেকশন এর ব্যাপারটা… একেবারেই নিজস্ব একটা ভালো লাগা থেকে তৈরি হয়েছে। একটি গল্প আমি চিন্তা করার পর মনে হয়েছে এটা আসলে আমি যেভাবে চিন্তা করেছি সেভাবেই বানাতে হবে এবং সেটা আমি-ই পারবো। অন্যকে দিলে সেটা হয়তো অন্যরকম হয়ে যাবে। সেই চিন্তা থেকেই ‘ব্যাকডেটেড’ নামে একটি টেলিফিল্ম নির্মাণ করি। এটা আসলে নেহায়েত ভালো লাগা থেকেই করেছি। তবে ভবিষ্যতের কথা বলতে পারছি না।
আনন্দ আলো: চলচ্চিত্রের মতো নাটকেও জুটি একটি বড় ব্যাপার। আপনার সঙ্গে ভালো জুটি কার?
অপূর্ব: শুরুতেই বলবো জাকিয়া বারী মমর কথা। ওর সাথে আমার প্রচুর কাজ হয়েছে। আরও তালিকায় আছেন মেহজাবিন, শখ, শার্লিন ফারজানা, তানজিন তিশা। তাদের সঙ্গেও অনেক কাজ করছি। এখানে সিনিয়রদের কথা কিন্তু বলিনি। সিনিয়রদের মধ্যে তারিন এর সাথে আমার অনেক কাজ হয়েছে।
আনন্দ আলো: ‘গ্যাংস্টার রিটার্নস’-এর পর আর কোনো ছবি করলেন না যে!
অপূর্ব: চলার পথে আমি সবসময় ভাবি, আমাকে যার দরকার আমি তার জন্য তৈরি। কেউ যদি মনে করে আমাকে নিয়ে আবার ছবি করবে, সবকিছু মিলে গেলে আমি অবশ্যই অভিনয় করবো। তবে আমার কাছে গল্পের চরিত্র এবং গল্পটা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়।