Home আরোও বিভাগ সিনেমা কলকাতা মাতালো ইমপ্রেস-এর ছবি!

কলকাতা মাতালো ইমপ্রেস-এর ছবি!

SHARE
Film-festivale

কলকাতা মাতালো ইমপ্রেস-এর চলচ্চিত্র। কলকাতার নন্দনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসবে ইমপ্রেস এর ৭টি সহ মোট ৮টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। কলকাতার দর্শকরা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র দেখে যারপর নাই মুগ্ধ। ৪ দিনের এই উৎসবে কলকাতার নন্দনের দুটি প্রেক্ষাগৃহে চলচ্চিত্র গুলো প্রদর্শিত হয়। প্রতিটি শোতে বিপুল সংখ্যক দর্শক ভীড় করে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রগুলো উপভোগ করে। সবার মুখে ছিল বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ব্যাপারে প্রশংসা। অধিকাংশ দর্শক ইমপ্রেস’এর চলচ্চিত্র গুলোর ভুয়শী প্রশংসা করেন। পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ব্রাত্য বসু ৪ দিন ব্যাপি চলচ্চিত্রের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও চ্যানেল আই-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর এবং বিশিষ্ট অভিনেত্রী মাধবী মুখোপাধ্যায়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব ইন্ডিয়ার পুর্বাঞ্চলের কর্মকর্তা প্রেমেন্দ্র মজুমদার। ইমপ্রেস এর আলোচিত চলচ্চিত্র ‘কালের পুতুল’ প্রদর্শনের মাধ্যমে উৎসবের মূল কার্যক্রম শুরু হয়। উৎসবে প্রদর্শিত ৮টি ছবির মধ্যে ৭টিই ছিল ইমপ্রেস-এর ছবি। ছবিগুলোর নাম যথাক্রমে- অজ্ঞাতনামা, খাঁচা, কৃষ্ণপক্ষ, ড্রেসিং টেবিল, টুবি কন্টিনিউড, আলতাবানু ও ভয়ংকর সুন্দর।

উৎসব উদ্বোধন করে পশ্চিমবঙ্গের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ভারত বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিনিময়ের অংশ হিসেবে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এই উৎসব আমাদের দুই দেশের বাংলা চলচ্চিত্রকে বিকশিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপুর্ণ ভ‚মিকা পালন করবে। বিশিষ্ট অভিনেত্রী মাধবী মুখোপাধ্যায় বলেন, আমাদের উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের ¯্রষ্টা হলেন প্রয়াত হীরালাল সেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের মানিকগঞ্জের মানুষ। তাঁর হাত ধরে আমাদের বাংলা চলচ্চিত্রের যে যাত্রা শুরু হয়েছিল সেটাকেই আমরা বয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আমাদের দুই বাংলার চলচ্চিত্র শিল্পের অনেক উন্নতি হয়েছে। এক্ষেত্রে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম-এর অবদান অনেক।

ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, এই চলচ্চিত্র উৎসব আমাদের দুই দেশের সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আমার দৃঢ়বিশ্বাস।

উল্লেখ্য, উৎসবের আয়োজক প্রতিষ্ঠান ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ জানিয়েছে উৎসবের চলচ্চিত্রগুলো পর্যায়ক্রমে ভারতের আরও ২০টি শহর যথাক্রমে- ঝাড়খন্ডের জামশেদপুর ও রাচি, ওড়িশ্যার ভুবেনেশ্বর, আসামের গুয়াহাটি ও জোড়হাট, মহারাষ্ট্রের মুম্বই, নাগপুর ও পুণে, রাজধানী নতুন দিল্লী, তামিলনাড়–র চেন্নাই, অন্ধ্র প্রদেশের হায়দরাবাদ এবং বিশাখাপট্টনম, কেরালার তিরুবনস্তপুরম, কোচি, পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি, বর্ধমান ও মেদেনীপুর শহরে চলচ্চিত্র গুলো প্রদর্শন করা হবে।