Home টি-২০ আড্ডা আপনার ঠোঁটের তিলটা কি অরিজিনাল?-নাজনীন হাসান চুমকী

আপনার ঠোঁটের তিলটা কি অরিজিনাল?-নাজনীন হাসান চুমকী

SHARE
Chumki

মোহাম্মদ তারেক
আনন্দ আলো: আপনি কোন চুমকী?
নাজনীন হাসান চুমকী: আমি নাজনীন হাসান চুমকী
আনন্দ আলো: চুমকী নামের অর্থ কী?
নাজনীন হাসান চুমকী: চুমকী নামের অর্থ হচ্ছে চমক বা চকমকি।
আনন্দ আলো: এযাবৎ কতজন চুমকীর সাথে আপনার দেখা হয়েছে?
নাজনীন হাসান চুমকী: দুইজন চুমকীর সাথে আমার দেখা হয়েছে। একজন অভিনেত্রী ফারজানা চুমকী। আরেকজন তাসলিমা চুমকী।
আনন্দ আলো: ফারজানা চুমকী আর নাজনীন হাসান চুমকী। নামে নামে কখনো কী বিভ্রান্তিতে পড়েছিলেন?
নাজনীন হাসান চুমকী: বহুবার নামের বিভ্রান্তিতে পড়েছিলাম। তবে বিষয়টা আমরা দুজনই খুব এনজয় করি।
আনন্দ আলো: নিজেকে আর কত চুমকী লাগাবেন?
নাজনীন হাসান চুমকী: আমৃত্য পর্যন্ত। কারণ এই নামটা নিয়েই তো এগিয়ে যেতে হবে।
আনন্দ আলো: এত কাজ থাকতে অভিনয়ে এলেন কেন?
নাজনীন হাসান চুমকী: ছোটবেলা থেকে অভিনয়ের প্রতি দূর্বলতা ছিল বলেই অভিনয়ে আসা।
আনন্দ আলো: জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় যে নাটকটি।
নাজনীন হাসান চুমকী: সালাউদ্দিন লাভলুর পরিচালনায় ‘গহরগাছি’ ধারাবাহিক নাটকটি আমার অভিনয় জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
আনন্দ আলো: যে চরিত্রের ভেতরে ঢুকে পড়েছিলাম।
নাজনীন হাসান চুমকী: হাফিজ লেদুর লেখা ও পরিচালনায় ‘ফাতাই’ নাটকের ফাতাই চরিত্রের ভেতরে ঢুকে পড়েছিলাম। কিছুতেই বের হতে পারছিলাম না।
আনন্দ আলো: অভিনয় ছাড়া আর যা ভালো করতে পারেন?
নাজনীন হাসান চুমকী: অভিনয় ছাড়া লেখালেখি করতে পারি। আড্ডা দিতে পারি।

Naznin-Hasan-Chumkiআনন্দ আলো: লেখালেখি না অভিনয় দুটোর মধ্যে কোনটাকে বেছে নিবেন?
নাজনীন হাসান চুমকী: অবশ্যই লেখালেখিকে বেছে নেব। কারণ আমি যখন অভিনয় করি তখন যে কোনো একটি চরিত্রে অভিনয় করি। কিন্তু আমি যখন লেখালেখি করি তখন এক সাথে অনেক গুলো চরিত্রকে তৈরি করি।
আনন্দ আলো: ইনবক্সে কী ধরনের প্রস্তাব বেশি পান।
নাজনীন হাসান চুমকী: আপা অনেক দিন কথা হয় না। চলুন একটু আড্ডা দেই।
আনন্দ আলো: এখনো যার প্রেমে মশগুল…
নাজনীন হাসান চুমকী: থিয়েটারের প্রেমে এখনো মশগুল।
আনন্দ আলো: রেগে গেলে যা করি…
নাজনীন হাসান চুমকী: জিনিসপত্র ভাঙতে পারলে ভালো লাগে।
আনন্দ আলো: মিডিয়ার যে ব্যাপারটা ভালো লাগে না?
নাজনীন হাসান চুমকী: হিপোকক্রেসি এই ব্যাপারটা ভালো লাগে না।
আনন্দ আলো: যে প্রশ্ন শুনতে শুনতে ক্লান্ত…
নাজনীন হাসান চুমকী: আপনার ঠোঁটের ওপর তিলটা কী অরিজিনাল না নকল…
আনন্দ আলো: আপনি নাকি জেগে জেগে স্বপ্ন দেখেন। ঘটনা কী?
নাজনীন হাসান চুমকী: স্বপ্নতো সব সময়ই চোখ বন্ধ করে দেখতে হবে। তা না হলে তো প্রপারটা দেখতে পারবো না। চোখ খোলা রাখলে স্বপ্ন দেখা যায়, রং আঁকা যায়। তাই জেগে জেগে স্বপ্ন দেখাই ভালো।
আনন্দ আলো: চুমকী চলেছে একা পথেÑ আপনি কখনো কী একা পথে হেঁটেছেন?
নাজনীন হাসান চুমকী: একা পথে হাঁটাটাই তো স্বাভাবিক। দোক্কা পাওয়াটাই ডিফিকাল্ট।
আনন্দ আলো: চুমকীর সবচেয়ে বাজে অভ্যাস…
নাজনীন হাসান চুমকী: রাত জাগা আমার বাজে একটা অভ্যাস।
আনন্দ আলো: চুমকী যদি নিজেই নিজেকে একটা উপদেশ দেন তাহলে সেটা কি?
নাজনীন হাসান চুমকী: বোকামী কম কর। তুমি একটা গাধা।
আনন্দ আলো: একটা ছেলে মানুষি চাওয়া…
নাজনীন হাসান চুমকী: কোনো কাজ না করেও যদি অনেক টাকা আমার হাতে আসতো । তাহলে আমি ঘুরে বেড়াতাম আর ঘুরে বেড়াতাম। যখন যেখানে মন চাইত সেখানে চলে যেতাম। এটা আমার ছেলেমানুষি চাওয়া।